Login






Lost Password?
No account yet? Register

Sponsors Link Left

Random Image

normal_Suborna-036

normal_Suborna-036

Date: 04/11/07 Views: 33 Owner: BdShowBiz

This is very nice Matter Print E-mail
(0 votes)

এটা ভীষন ভালো লাগার ব্যাপার

দেশে ঘুরে গেলেন এক সময়ের জনপ্রিয় অভিনেত্রী লুৎফুন্নাহার লতা। এগারো বছর ধরে নিউইয়র্কে তিনি । প্রায় বছরই জুনের শেষ দিকে চলে আসেন বাংলাদেশে । জন্মভূমির খোলা বাতাসে কিছুদিন থেকে আবার উড়ে যান কর্মক্ষেত্র নিউইয়র্কে । এবার দেশে আসার পর তাকে পাওয়া গেল একদম শেষ মুহুর্ত । কথা বললেন আনন্দধারার বিশেষ প্রতিনিধি শিল্পী মহলানবীশেরর সঙ্গে ।

 

আনন্দধারাঃ এগারো বছর নিউইয়র্কে আছেন । অনেকটা সময় । কী করছেন সেখানে ?

লুৎফুন্নাহার লতাঃ অনেকটা সময়টা বটেই । তবে প্রায় প্রতি বছরই দেশে আসি বলে

গ্যাপটা কম। আমি ওখানে বোর্ড অব এডুকেশনে কাজ করছি ।  

আনন্দঃ এগারো বছর আগে আর এগারো বছর পরে দেশের কী ধরনের বদল লক্ষ্য করেছেন ?

 

লুৎফুন্নাহার লতাঃ দেশে থাকলে তফাতটা যতটা না বোঝা যায় ,দেশের বাইরে থেকে  আসলে সেগুলো বেশি চোখে পড়ে । সমাজ বদলেছে , পরিবেশ বদলেছে , তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে শিল্প সংস্কৃতি বদলে গেছে । অনেক নতুন নতুন ক্ষেত্র তৈ্রি হয়েছে ।

আনন্দঃ নাটকের ক্ষেত্রটাকে কতটা পরিবর্তন এসেছে বলে মনে হয়?

  

লুৎফুন্নাহার লতাঃ অনেক , অনেক । ফ্রিল্যান্স নাটক বিশাল পরিবর্তন এনে দিয়েছে । কাজ করার ক্ষেত্র বেড়েছে ।নতুন নতুন নাট্যকার ,পরিচালক ,প্রযোজক , অভিনয় শিল্পী তৈ্রি হয়েছে । আমাদের দেশে এখন অনেক গুলো চ্যানেল । এটাও বিশাল পরিবর্তনের একটি কারন ।সুযোগ তৈ্রি হয়েছে ভালো কাজ করার । পর্দার সামনে এবং পেছনে অনেক মানুষ যুক্ত হয়েছ ।অনেক নতুন সম্ভবনা বেরিয়ে এসেছে । প্রতিযোগিতা তৈ্রি হয়েছে ।

আনন্দঃ আপনি এবার কাজ করেছেন নাটকে?

লুৎফুন্নাহার লতাঃ গতবার বেশি কাজ করেছি । এবার বাংলাদেশে আসার মূল কারন ছিল মায়ের অসুস্থতা । তাই এবার কম কাজ করেছি।

আনন্দঃ এখন তো প্রচুর কাজ হচ্ছে । নিইউইর্কে বসে দেখা হয় । কেমন লাগে এই সময়ের নাটক গুলো ?

লুৎফুন্নাহার লতাঃ আগে তো চ্যানেল ছিল একটা । কাজ কম হতো। ফলে সময় নিয়ে কাজ গুলো করা যেত । যত্ন নিয়ে কাজগুলো শেষ করা হতো । খুব একটা প্রতিযোগিতা ছিল না । এখন প্রতিযোগিতা বেশি , সময় কম । কাজ বেশি ।ফলে সব কাজ মানসম্পুন্ন বলা যাবে না ।আবার অনেক কাজ অনেক ভালো ।

আনন্দঃ এখন কিন্তু অভিনয়কে পেশা হিসেবে নেয়া যাচ্ছে ।

লুৎফুন্নাহার লতাঃ এটা ভিষন ভালো লাগার ব্যাপার । এক সময় স্বপ্ন দেখতাম অভিনয়কে পেশা হিসেবে নেয়ার । এখন বিষয়টা সহজ । আমাদের পরে যারা কাজ করছেন তার সুবিধাটা পাচ্ছেন । খুব ভালো লক্ষন , কোনো সন্দেহ নেয় ।

আনন্দঃ আপনি যখন নিয়মিত অভিনয় করেছেন তখন কোন বিষয় গুলোকে প্রাধান্য দিতেন ?

লুৎফুন্নাহার লতাঃ অভিনয় শুধু নয় যখন যে কাজটাই করি না কেন , সেটা থাকে প্রার্থনার মতো । সময় মতো সেটে পৌঁছানোর চেষ্টা করেছি । প্রযোজক , পরিচাকরাও খুব গুরুত্ব দিতেন প্রতিটি কাজকে । কোনো হিরোইজম মানসিকতাকে ধারন করতাম না ।আমার  যা চরিত্র সেটকে পরিচালকের নির্দেশ মতো রুপায়ন করার চেষ্টা করেছি । জুনিয়াদের সহযোগিতা করেছি ।

আনন্দঃ নিউইর্কে সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে যুক্ত আছেন? শিল্পীরা নাকি যেখানেই যান সেখানেই সাংস্কৃতিক বলয় তৈ্রি করেন?

লুৎফুন্নাহার লতাঃ নিউইর্কে সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে সঙ্গে যুক্ত আছি । বাংলাদেয়াশের একজন প্রতিষ্ঠাত শিল্পী হিসেবে যাই । ঠিক বলয় তৈ্রী করা হয়ে ওঠেনি কারন ওখানকার জীবন ধারনের চর্চাটা অন্যরকম । প্রচন্ড ব্যস্ত জীবন । নিজের ঊদ্যেগে প্রবাস জীবন নামে একটি টেলিফিল্ম তৈ্রী করেছিলাম ।ওখানকার হলে সেটা দেখানো হয়েছে । একটি চ্যানেলাও দেখানো হয়েছে । আর বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের প্রযোজনায় বুদ্ধদেব বসুর তপস্বি ও তরঙ্গিণী নামে একটি কাব্য নাট্য পরিচালনা ও সম্পদনা করি । যা ওখানকার মঞ্চে পরিবেশন করা হ্য় ।

আনন্দঃ এখন কি লেখালেখি করছেন ? নাটক বা অন্য কিছু ?

লুৎফুন্নাহার লতাঃ কবিতা, গল্প, নাটক লিখছি কিছু কিছু । ইচ্ছে আছে আরেকটু জোরেসোরে লেখালেখি করার । বিশেষ করে আমেরিকায় থাকা মেয়েদের স্ট্রাগল নিয়ে কিছু লেখার একটা জোরালো তাগিদ অনুভব করছি।

আনন্দঃ আপনার প্রথম নাটক কোনটি ?

লুৎফুন্নাহার লতাঃ রাজিব হুমায়ুনের লেখা এবং খ ম হারুন -এর প্রযোজনায় নাটক লাগুক দোলা । এটা ১৯৮৩ সালে প্রচার হয় বাংলাদেশ টেলিভিশনে।

আনন্দঃ আপনি তো আবৃত্তি ও করতেন?

লুৎফুন্নাহার লতাঃ হ্যাঁ  অভিনয়ের পাশাপাশি আমি আবৃত্তি করতাম । বিজ্ঞাপনে গলা দিতাম ।

আনন্দঃ তবে এইসব দিন রাত্রি নাটকের শারমীন চরিত্রটি আপনাকে বেশি পরিচিতি দিয়েছে । এ পর্যন্ত কতো গুলো নাটকে কাজ করছেন?

লুৎফুন্নাহার লতাঃ হ্যাঁ এইসব দিনরাত্রি তখন খুব জনপ্রিয়তা পেয়েছিল । শারমিন চরিত্রটি এখনও দর্শক মনে রেখেছেন । এ পর্যন্ত প্রায় শ খানেক নাটকে কাজ করেছি।

আনন্দঃ দেশের বাইরে কবে গেলেন ?

লুৎফুন্নাহার লতাঃ ১৯৯৬ সালের শেষের দিকে আমি নিউইয়র্কে চলে যায় ।

আনন্দঃ দেশে ফিরবেন , নাকি ওখানেই থাকার পরিকল্পনা ?

লুৎফুন্নাহার লতাঃ দেশে ফেরার ইচ্ছে প্রচন্ড । আমার ছেলের বয়স ১৫ বছর । একটু চিন্তা ভাবনা করছি । ওর সেটেলমেন্টের বিষয় আছে । তারপরও দেশ আমাকে টানে । আমার দেশ আমার জন্ম ভূমি , মাটি সে তো অস্তিত্বের সঙ্গে মিশে আছে । অনবরত তাঁর হাতছানি আমাকে কাঁদায়  ফিরে আসার জন্য।


Add as favourites (23) | Quote this article on your site | Views: 55

Be first to comment this article
RSS comments

Write Comment
  • Please keep the topic of messages relevant to the subject of the article.
  • Personal verbal attacks will be deleted.
  • Please don't use comments to plug your web site. Such material will be removed.
  • Just ensure to *Refresh* your browser for a new security code to be displayed prior to clicking on the 'Send' button.
  • Keep in mind that the above process only applies if you simply entered the wrong security code.
Name:
E-mail
Homepage
Title:
BBCode:Web AddressEmail AddressBold TextItalic TextUnderlined TextQuoteCodeOpen ListList ItemClose List
Comment:



Code:* Code
I wish to be contacted by email regarding additional comments

 
< Prev   Next >
About Us      Privacy Policy      Advertisement      Contact Us      Help with Bangla     
© 1997-2008 BangladeshShowBiz.com All Rights Reserved