| Close Up One Taroka |
|
|
|
সব চেয়ে বেশি চেইঞ্জ এসেছে মিউজিকে
ওরা এসময়ের কয়েকজন রমা, নির্জর, রন্টি ও লোপা । সঙ্গীতের তরুন
কন্ঠ। আড্ড দিয়েছেন আপন ভূবনের বিষয় নিয়ে।
আনন্দধারা - আপনারা কে
কি নতুন কাজ করছেন?
রমা- প্রথম আলবামের পর আমার সেকেন্ড আলবামের কাজ চলছে। এটা কাজ
প্রায় শেষ আশা করি আগামী ফেব্রুয়ারীতে আলবামটি ছাড়বো । মিউজিক নিয়ে
ব্যস্ততা তো আছেই কেননা এখন তো মিউজিকেরই সময়। এছাড়া জি সিরিজ থেকে কিছু মিক্সড
আলবাম বের হবে। মাইলসের জুয়েল একটা মিক্সড আলবাম করছে , ওখানে কানিজ সুর্বনার একটা
গান থাকছে । এই আলবামে শুধু মেয়েদের গান থাকবে
নিঝর- লন্ডনের বিভিন্ন চ্যানেলে আমার গান প্রচারিত হয়।
সেখানকার বিভিন্ন প্রোগ্রামে আমি পারফর্ম করি। পড়াশুনা নিয়ে বেশি ব্যস্ত থাকি।
এখানে এসে টুকটাক শো করি । এখানে এসে গানের কিছু কাজ করে যাই। নভেম্বরে একবার দেশে
আসবো। আমি আমার র্থাড সলো আলবাম নিয়ে চিন্তা করেছি। ইচ্ছে আছে এই আলবাম
নিয়ে চিন্তা করেছি। ইচ্ছে আছে এই আলবামটা খুব ভাল ভাবে সাজাবো। ওটা আসতে আসতে ২০০৯
সাল হয়ে যাবে।আমি যেহেতু থাকতে পারছি না, সুযোগ পেলে দেশে এসে কিছু গানের ভয়েজ
দিয়ে যাবো। ফিরে এসে আমি পুরোপুরি মাঠে নামতে চাই। আমার একটা গ্যাপ আছে । গ্যাপটা
পুরন করতে একটু কষ্ট হবে হয়তো। আশা রাখি হয়ে যাবে ।
লোপা- আমি এই মুহুর্তে সবচেয়ে ব্যস্ত আমার পড়াশুনা নিয়ে। সামনে
আমার অর্নাস ফাইনাল পরীক্ষা । এই জন্য আমি গান - বাজনা থেকে একটু দূরে আছি। একটি-
দুটি কাজ করছি। আমি এবং মাহাদুজ্জামান বাবু একটু দেশাত্বাবোধক
গান করেছি বাপ্প মুজুমদারের সুরে । গানটি
একুশে ফ্রেব্রুয়ারীতে বিভিন্ন চ্যানেলে দেখা যাবে। এছাড়া ভালোবাসা দিবসে কয়েকটা
গান দেখা যেতে পারে বিভিন্ন চ্যানেলে। বিভিন্ন কনর্সাটে টুকটাক গান করেছি। গানের
পাশাপাশি কপোরেট প্রোগ্রামগুলো উপস্থাপনা করি। এছাড়া এটিএন বাংলায় নিউজ পড়ছি।
আনন্দধারা - এখানকার মিউজিক নিয়ে কিছু বলুন ?
রমা - এখনকার মিউজিক নিয়ে যদি বলি তাহলে ভালোমন্দ দুটোই হচ্ছে।
এটা অবশ্য সব ক্ষেত্রেই থাকে । আমাদের কথা যদি বলি এখন কিন্তু অনেক সুযোগ আছে ।
আগে মানুষের কাছে মিউজিক পৌছানো অনেক টাফ ছিলো । অনেক
লিমেটশন ছিল। আমরা কিন্তু সেই লিমেটশন থেকে বের হয়ে এসেছি এখন এফএম রেডিও গুলোর
কারনে মিউজিক করে মানুষের কাছে পৌছানো অনেক সহজ হয়ে গেছে । এখন কিন্তু আমরা সবাই
রেডিও শুনি । এখন অনেক ভাল মিউজিক হচ্ছে ভিন্ন ধারাও মিউজিক হচ্ছে , শ্রোতাদের
লেবেলটাও ভাগ হয়ে গেছে। আগে এটা ছিল । আগে এটা ছিল না । যার যার
পছন্দ মত গান শুনছে ।
নির্ঝর - বিশাল একটা
চেঞ্জ এসেছে সংগীতাংনে । সবচেয়ে বেশি চেঞ্জ এসেছে মিউজিকে। কম্পোজিশন
সাউন্ড কোয়ালিটি সবক্ষেত্রেই চেঞ্জ এসেছে । সময়ের দাবির কারনে এটা হয়েছে ।
লোপা- গানের জগতে যে পরিবর্তনটা এসেছে তার দুইটা কারন। একটা
হলো ক্লোজআপ ওয়ান এন্নগ এমএমরেডিও শুরু।
এই দুটো শিল্পীদের জন্য খুব হেল্প ফুল ।
আনন্দধারা- আমাদের প্রশ্নটা কিন্তু এখানকার মিউজিক , সাউন্ড
নিয়ে ছিল ?
নির্ঝর- বাংলা গানের টাইপটা কিন্তু এখন বেশির ভাগই ওয়েস্টার্ন
চলে এসেছে। ওই ওয়েস্টার্ন প্যানটর্নটাকে আমি সাউথ ইন্ডিয়ান, ইস্ট
ইন্ডিয়ান, বাংলাদেশের একটা মিশ্রন দিয়ে নিউ কম্পোজিশন , নিউ টিউন, নিউ সাউন্ড দিয়ে
যদি কিছু একটা তৈরী হবে ।
রমা- আমাদের অজিনটাকে ঠিক রেখে যা ইচ্ছা আমরা করবো। নতুন কিছু
করতে গিয়ে কিন্তু আমারা আমাদের নিজস্বতা হারিয়ে ফেলা যাবে
না। এমন কিছু করা যাবে না যেটা বিকৃ্ত মনে হবে। যেমন অনবের ফিউশনটা
চমৎকার । খুব বেশি ঢাকঢোল সেখানে নেই । হাবিব বাংলা গানকে খুব সুন্দর করে উপস্থাপন
করেছে। তবে আমাদের এখানে অনেকেই না জেনে মিউজিক করছে এটা ঠিক না ।
নির্জর - যারা জেনে করেছে আমার ধারনা তারা মিডিয়া
লিড করছে । আমি কি বোঝাতে চাইছি যারা
আনন্দধারার এই সংখ্যাটা পড়বে তারা বুঝতে
পারবে। এবং তারাই আগামীতে থাকবে।
আনন্দধারা -একটা সময় একটা কর্নার থেকে সবকিছু লিড করা হতো।
তারা শিল্পীদের যেভাবে বলত তার সেভাবেই
গান তৈরী করে দিতে হতো। আপনারা কিন্তু সেই ধারা থেকেই বেরিয়ে এসেছেন।
রমা- আমরা চেষ্টা করছি আমাদের গানে নিজস্বতা রাখার। যেমন মিলার এক আলাদা আইডেন্টি
আছে সে তার মতো চলছে। নির্জর,লোপার আলাদা আইডেন্টিটি আছে । কারো সঙ্গে কাউকে
মেলোনো যাবে না।
লোপা- আমি যদি কারো ছায়া হতে চাই আমি কিন্তু টিকবো না ?
নির্ঝর- অনুকরন আমরা করবো কিন্তু কাদের করবো যাদের অনুকরন করে
কিছু ক্রিয়েট করতে পারবো। এখন মিলা ভালো গান গাচ্ছে , আমি যদি মিলার অনুকরন করি
তাহলে ভুল হবে। কেননা মিলা মিলার জায়গায়
ঠিক। আমি আমার নিজস্বতা ধরে রাখার চেষ্ঠা করবো।
আনন্দধারা - আমাদের দেশে আগে যারা করতেন আর এখন
যারা মিউজিক করেন তাদের মধ্যে পার্থক্য কি বলে আপনারা মনে করেন ?
রমা- আসলে সময়ের চাহিদার একটা ব্যাপার থাকে। নতুন তো আসবেই।
যেমন বালাম ভাই নতুন একটা স্টাইল নিয়ে এসেছেন। সিনিয়রা তাদের স্বকীয়কতা কাজ করে
গেছেন। বালাম ভাইয়ের পরে যারা আসবে ।
নির্ঝর - সিনিয়রদের কাছে জুনিয়র যারা আছে তাদের অনেক কিছু
শেখার আছে। তারা ছিলেন বলেই আমরা এসেছি। সময়ের ব্যবধানে সবকিছু তো পরিবর্তন হবে
এটাই নিয়ম। যেমন হাবিব ভাই পুরানো দিনের গান কম্পোজিশন সাউন্ড দিয়েই আলোচনায়
এসেছেন।
লোপা- সিনিয়রদের কাজগুলোই কিন্তু আমাদের মূল। তাদের কাজগুলোর
সঙ্গে আমরা সংযোজন পরিবর্তন করে আমরা নতুন ধারা সৃষ্টি করবো।
আনন্দধারা- ক্লোজাআপ ওয়ান প্রতিযোগিতা নিয়ে লোপা কি যেন বলতে
চেয়েছিলেন?
লোপা- আমরা যারা নতুন শিল্পী তারা আসলে বুঝতে পারছি না কি করবো
। আমাদের একটা প্লাটফমটা দরকার ছিল । আমরা ভয়েসটা কিভাবে পৌছে দেবো
মানুষের কাছে । এই প্লাটফর্মটা আমাদের ক্লোজআপ ওয়ান এনে দিয়েছে । দেশের বিভিন্ন
জায়গা থেকে যারা ভালো গান গায় তারা উঠে এসেছে।
নির্ঝর - তুমি যেটা বলছ ক্লোজআপ ওয়ান এটা করে দিয়েছে। এটা
হওয়ার আগে কি গ্রামগঞ্জের ছেলেমেয়েরা গান করত না ?
রমা - আমার যেটা মনে হয় ক্লোজআপ ওয়ান ওয়ান
প্রতিযোগিতার ফলে আমরা সহজে মানুষের কাছে পৌছে যাচ্ছি। সহজে একটা প্ল্যাটফর্ম পেয়ে
যাচ্ছি।
আনন্দধারা- আমাদের এখানকার মিউজিকের কী আরবান বেইজ?
রমা- আমাদের এখানকার মিউজিকটা আরবান বেইজ। আগে ইয়াংরা বাংলা
গান শুনতো না । এখন ওরা বাংলা গান শুনতো না । এখন ওরা বাংলা মিউজিক
শোনে।
নির্ঝর- ক্লোজআপ ওয়ান শিল্পীদের বিষয়ে আমার একটা কথা বলার আছে
। তাদের কয়জন নিজের আইডেন্টি ক্রিয়েট করতে পেরেছে? এখনও তাদেরকে মানুষ চেনে
ক্লোজআপ ওয়ান তারকা বলে । এটা একজন শিল্পীর সারা জীবনের পরিচয় হতে পারে না। এটা
দীর্ঘস্থায়ী হবে তখনী যখন তার নিজস্ব আইডেন্টি গড়ে ওঠবে।
রন্টি দাস- আমি আসলে এত কিছু জানি না । আমি ছোটবেলা থেকেই গান
করছি। এক সময় দেখা যেত স্টেজে আমি বাংলা হিন্দি গান করছি। এখন স্টেজে ওঠলে অন্য
কোন গান গাইতে বলে না । একজন শিল্পীকে সব ভাষার গান জানতে হবে কিন্তু তাকে গানকে
প্রাধান্য দিতে হবে । আমাকে স্টেজে এখন অন্য গান গায়তে বলা হয় না ।
আমি বলছি না ক্লোজআপ ওয়ানের ফলে এটা হয়েছে । মানুষ কিন্তু এখন বাংলা গান শুনছে।
নির্ঝর- রন্টি ক্লোজআপ ওয়ানের শিল্পী। একবছর ধরে ক্লোজআপ
ওয়ানের বিভিন্ন শো ভাল ভাবে করছে । তিন বছর পরে গিয়ে যদি আমারা রন্টিকে
জিজ্ঞেস করি এখন তুমি কি কর ? আমার বিশ্বাস রন্টি বলবে আমি আমার নিজস্ব ধারায়,
নিজস্ব স্টাইলে, নিজস্ব কিছু ক্রিয়েট করে গান করছি ।
রন্টি দাস - এটা রন্টির উপর নির্ভর করছে আমি আগামীতে কী করব ।
আমি যদি এখন ক্লোজআপ ওয়ানের আশায় বসে থাকি তাহলে তো হবে না । ওরা আমাকে
জায়গা করে দিয়েছে । এখন আমাকে আমার মত চলতে হবে তবে ক্লোজআপ ওয়ানকে থ্যাংকস আমাকে
একটা প্লাটফর্ম দেওয়ার জন্য।
রমা - যেটা তুমি ৫ বছরে করতে সেটা তুমি পাছ বছরে করতে সেটা খুব
সহজে পেয়ে গেছো ক্লোজআপ ওয়ানের কারনে।
লোপা-আমি ক্লোজআপ ওয়ানের প্রতিযোগিতা থেকে বাদ পড়ার
পর আর কোনভাবেই এর সঙ্গে জড়াতে চাইনি। আমি নিজেকে আলাদা করার চেষ্ঠা করেছি, যাতে
কোনভাবেই ক্লোজআপ ওয়ানের সিল আমার সঙ্গে না থাকে। যেমন আমি গানচিলের ব্যানার থেকে
আলবামের করিনি। ক্লোজআপ ওয়ানের কোন শোতে আমি যায়নি। যাতে আমার গায়ে ক্লোজআপ ওয়ানের
সিলটা না থাকে আমি পারসোনালি মনে হয় এই জায়গা থেকে বের হয়ে আসতে পেরেছি।
রন্টিদাশ- আমার যারা কলিগরা আছে তাদের কী চিন্তাধারা আমি জানি
না । তবে খুব লজ্জা পায় যখন আমাকে স্টেজে ডাকা হয় ক্লোজআপ ওয়ানের তারকা বলে । আমার
নিজস্ব থেকে কী বেশি হয়ে যায় না । আমি অনেক জায়গায় এটা বলতে মানা
করি। শুধু রন্টি দাস বলতে বলি।
লোপা-ক্লোজআপ ওয়ান প্রতিযোগিতায় করেছি আমার মনে হ্য় এটা ধরে
রাখা উচিত আমাদের । তবে এখানে আমার একটা কথা আছে , তাদের টাকা পয়সা না দিয়ে
ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করলে বিষয়টা ভালো হবে।
রন্টি দাস- ক্লোজআপ ওয়ানের অনেকেই কিন্তু ভাল গায়। আমি
নিজে প্রফার করি , ভাল গায় একটা গড গিফটেড ভয়েজের সঙ্গে যদি আরও বেশি প্র্যাকটিস
কিছু মসলা যোগ করতে পারি তাহলে ভালো হয়।
আনন্দধারা- ক্লোজআপ ওয়ানের শিল্পীদের একটি গন্ডির মধ্যে রাখা
হয়েছে । শো হলে ক্লোজআপ ওয়ানের শিল্পীরা একসঙ্গে গান করে। আলবাম বের হলেও একই অবস্থা
বিষয়টা কিভাবে দেখছেন?
রন্টিদাস- আমরা এখন অনেকেই কিন্তু বাইরে শো করছি । একটা
ক্ষেত্রে আমরা শুধু গন্ডির মধ্যে রয়েছি, সেটা হল অডিও আলবাম বের করার ক্ষেত্রে। সব
চ্যানেলে তো আমাদের মিউজিক ভিডিও যাচ্ছে। ক্লোজআপ ওয়ান প্রথম থেকেই অডিওর বিষয়টা
ছিল যারা টপটেনে আসবে তাদের আলবাম গানচিল বের করবে।
লোপা - আমি যতটুকু জানি গানচিলের সঙ্গে যে চুক্তিটা সেটা শুধু
অডিওর জন্য না কনসাটের জন্যও।
রমা - আমরা চাইলেই কিন্তু সবধরনের কনসাট করতে পারছি। তোমরা
কিন্তু ন্যাশনাল কনসাট গুলো করতে পারছ না ।
নির্ঝর- তোমাদের যে কনসাট গুলো হচ্ছে
বারবার কিন্তু একই ফিল আসছে । এখন আমার প্রশ্ন হচ্ছে তোমাকে দেশের বাইরে কোন
কনসাটে নিল। সেখানে তোমার পরিচয় কিন্তু ক্লোজআপ ওয়ান তারকা ব্যক্তিগত পরিচয় রন্টি
দাস হিসেবে কিন্তু নয় ।
রন্টিদাস- এটার জন্য আমার আরো চার পাচ বছর লাগবে যেহেতু আমি
একটা প্রতিযোগিতা থেকে এসেছি । আর আমার আলবামের বিষয় বলব, আলবামটা গানচিল থেকেই
বের হচ্ছে ঠিকই কিন্তু সব কিছু আমার ইচ্ছে মত হচ্ছে । ভালো কিছু করব বলেই আমার
পছন্দের কম্পোজার বাপ্পা মুজুমদারকে দিয়ে আমার আলবাম করছ। এই আলবামটা যদি নাও চলে
তবে আমি মনের দিক থেকে শান্তি পাব । আমি আমার নিজস্বতা ধরে রাখতে চাই বলেই
এটা করছি।
নির্ঝর - ছ্য় মাস অন্তুর অন্তর যেমন শিল্পী চেঞ্জ হয় তেমনি
মিউজিকও চেঞ্জ হচ্ছে । ছয় মাস আগে যারা ছিল তারা কিন্তু হারিয়ে যাচ্ছে কিন্তু হারিয়ে যাচ্ছে না কারা যারা তাদের
বুদ্ধি মেধা শিক্ষা দিয়ে সে থাকছে । সে নিজেকে ধরে রাখতে পারছে ।
রন্টিদাস- আমি যে টাইপের গান করি রমা আপু , নির্ঝর আপু যে
টাইপের গান করে ওই টাইপের গান বাইরে গিয়ে
করলে, আমি অবশ্যই হারিয়ে যাব। আমাদের অনেক শিল্পীর একটাই লক্ষ্য আমাকে হিট করতে
হবে।
রমা- সেটা কিন্তু অন্য জিনিস। তারা কিন্তু সিঙ্গারের পর্যায়ে
পড়েনা।
নির্ঝর- রন্টি আজকে তুমি ফেমাস অনেকেই তোমাকে চেনে । পরবর্তীতে
তুমি যখন আসবে তখন তোমার মাথায় একটা বিষয় কাজ করবে তোমাকে সেটা ধরে রাখতে হবে ।
রন্টি দাস- আমি যে ধরনের গান করি আমার মনে হয় বাপ্পা মজুমদারকে
দিয়ে করলে আমার ভালো হবে। তাই আমি তাকে দিয়ে গান করাচ্ছি।
Add as favourites (68) | Quote this article on your site | Views: 924
Write Comment
|
||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
| Next > |
|---|







