Login






Lost Password?
No account yet? Register

Sponsors Link Left

Random Image

S Rajon

S Rajon

Date: 28/10/07 Views: 6 Owner: BdShowBiz

Winter Care Print E-mail
(0 votes)

শীতে প্রাণের ছোঁয়

া...

শীতের সাথে যেন সৌন্দর্যের বিরোধ। শীত এলেই ত্বক, ঠোঁট, চুল নিম্প্রাণ হয়ে পড়ে। আর তাই শীতে এ সবের জন্য চাই বাড়তি যত্ন আপনার চুল, ত্বক আর ঠোঁট ফিরিয়ে আনবে প্রাণের ছোঁয়া...

 

শীতে ত্বকের যত্ন

শীত আমাদের প্রিয় ঋতু হওয়া সত্বেও এই সময় ত্বকে নানা সমস্যা দেখা দেয়। শীতের শুস্ক আবহাওয়া ত্বকের বিশেষ হ্মতি করে। এ জন্য এ ঋতুতে ত্বকের একটু বাড়তি যত্নের প্রয়োজন হয়।

 

ত্বকের যত্ন

সমস্যাঃ শীতে সব ধরনের ত্বকই অনুজ্জ্বল ও শ্রীহীন হয়ে পড়ে। শুস্ক ত্বকে অনেক সময় দাগ ও দানা বের হয়। ঠোঁট ও পা ফাটে।

সমাধানঃ সমস্যার অর্ধেকই চলে যায় যদি আপনি নিয়মিত ত্বকের যত্ন নেন। নিয়মিত যত্ন বলতে ক্লিনজিং, টোনিং ও ময়েশ্চারাইজিংকে বোঝায়। ক্লিনজিং এর জন্য ময়দা ও দুধের সর সারা মুখে লাগান ও হাতে লাগিয়ে রাখুন। আধা শুকনা হলে অল্প ঘষে ধুয়ে ফেলুন। এরপর হালকা গরম পানিতে কর্পুর মিসিয়ে তাতে তোয়ালে ভিজিয়ে মুখ, গলা, ঘাড় ও কানের পাশ পরিস্কার করে নিন। ফুটন্ত পানিতে গোলাপের পাপড়ি সিদ্ধ করুন। বেশ কিছুহ্মন ফোটার পর পানি ছেঁকে বোতলে করে ফ্রিজে রেখে দিন। প্রয়োজন মতো তুলায় ভিজিয়ে মুখে লাগান স্কিন টনিক হিসেবে। ময়েশ্চারাইজার হিসেবে দুধের সর ও গোলাপের পাপড়ি ব্যবহার করতে পারেন। বেলী ফুলের পেস মাস্ক ত্বকে উজ্জ্বলতা আনতে পারদর্শী। বেলরি পাপড়ি, বাটা আলু, গাজর ও পাতিলেবুর রসের সঙ্গে মুলতানি মাটি ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। সপ্তাহে এই মিশ্রণটি একবার ব্যবহার করুন মাস্ক হিসেবে। গোসলের সময় গোলাপের পাপড়ি ও কাঁচা হলুদ বাটা, বেসন ও দই মিশিয়ে গায়ে মাখলে ত্বকে যেমন উজ্জ্বলতা আসে তেমনিই গোলাপের গন্ধ ঘিরে থাকবে আপনাকে সারাটি দিন ধরে। গাঁদা ফুলের রসে অ্যান্টিসেপটিক ও অ্যান্টিব্যাক্টেরিয়াল গুণ রয়েছে। ত্বকে যে কোনো সংক্রমণে এর রস অব্যর্থ ওষুধ। গাঁদা ফুলের পাপড়ি বাটা, কাঁচা দুধ ও পাতিলেবুর রস মিশিয়ে মুখে মাখলে বিবর্ণ ত্বকে ফিরে আসবে হারানো শ্রী।

 

মুখে ব্রণ হলে নিমপাতা বটা ও চন্দনবাটা লাগান। ব্রণ থেকে পিগমেন্টেশন দাগ দূর করতে এক চা চামচ চন্দনবাটা, এক চিমটি হলুদ ও লবঙ্গবাটা আধখানা জায়ফল গুড়ার সঙ্গে আপেল ও কমলালেবুর রস মিশিয়ে লাগান। মিনিট দশেক পরে কাঁচা দুধ তুলায় ভিজিয়ে মুছে নিন। শীতের মৌসুমে বাইরে প্রচুর ধুলা বালি থাকে । তাই বাইরে থেকে ঘরে ফিরে মুখ ধুয়ে ফেলবেন বেশি করে পানি খাবেন । তেল মশলাযুক্ত খাবার কম খাবেন এ সমস্ত প্রচুর শাকসবজি ও ফল পাওয়া যায় তাই বেশি করে খাবেন । শীতকালে রোদে থাকলেও কিন্তু রোদের প্রতিফলন হয় তাই রোদে বেরুলে অবশ্যই সান স্কিন ব্যবহার করবেন । পনেরো দিন পরে একবার ভালো কোনো পার্লারে গিয়ে ফেসিয়াস ও বডি মাসাজ করুন। নিজেকে প্যাম্পার করুন । দেখবেন অনেক স্ট্রেস ফ্রি লাগছে।

 

হাত পায়ের যত্ন......

শীতকালে টিস্যুর মধ্যে ভেমোকন্ট্রাশনের ফলে ঘাম নিৎসরন বন্ধ হয়ে যায় । ফলে ত্বক শুস্ক হয়ে পড়ে , চামড়া ফাটে ও খসখসে হয়ে যায় । অনেকের পায়ের গোড়ালী ফাটে । তাই ঔষুধ ব্যবহারের সঙ্গে সঙ্গে পায়ের বিশেষ যত্ন নেওয়া প্রয়োজন । প্রতিদিন সাবানে পা পরিস্কার করে তোয়ালে দিয়ে মুছে ভেজলিন , গ্লিসারিন বা নারিকেল তেল ব্যবহার করা উচিত । হাত ও পায়ের নোখ গভীর করে কাটা উচিত না কারন এর থেকে নখকুনি হবার ভয় থাকে । কনুই হাটুতে দাগ হলে লেবুর রস শশার রস খাবার সোডা মিশিয়ে লাগান । পায়ে কড়া হলে শীতে কষ্ট হয়। তাই এর থেকে মুক্তি পেতে আন্টিক্রুড ৩০  এবং সাইলিসিলা ২০০ ব্যবহার করতে পারেন । শীতকালে প্রচুর টক জাতীয় ফল পাওয়া যায় । যেনন লেবু , আমলকী ইত্যাদি । এতে প্রচুর ভিটামিন সি যা ত্বকের উপকারী । প্রচুর পানি পান করলে ত্বকের শুস্কতা কমে যায় । এছাড়া মাসে দুবার পার্লারে গিয়ে মেডিকিউর করাবেন। এছাড়া নিয়মিত ওয়াক্স বা ও ফেয়ার পালিশ করালে ত্বক উজ্জল ও আর্কষনীয় হয়ে ওঠে। ফলে শীতকালটা আপনার জন্য বিব্রতকর নয় বরং আনন্দদায়ক হয়ে ওঠবে ।

 

ত্বকের উপর শীতের প্রভাব

১। ত্বক শুস্ক ও শ্রীহীন হয়ে পড়ে

২। কপালে বলি রেখা , মুখে - গলায় অজস্র রেখা দেখা যায়

৩। মুখ -হাত-পা গলার ত্বক কুঁচকে যাওয়া

৪। ত্বকে অজস্র দাগ , স্পট বা রাশ বের হওয়া

৫। পা,ঠোট ফাটা

 

শীতেকালে আবহাওয়া থেকে আদ্রতার পরিমান ক্রমশ কমে যায় । ফলে ত্বক আর আবহওয়া থেকে আদ্রতা পায় না । তখন ত্বক ক্রমাগত আদ্রতা হারায় । শীতকালে পুরো শরীরের ত্বকের আদ্রতা হারানো বন্ধ করতে বিশেষ যত্নের প্রয়োজন । আমাদের বাঙ্গালী বোঝেন মুখের যত্ন বোঝেন।

অথচ পুরো শরীর বিশেষ করে হাত পা কনুই গোড়ালী শ্রীহীন হয়ে পড়ে । মুখটা খুব সুন্দর আর শরীর টা সুন্দর না এরকম হওয়া উচিত না । এই শীতে শুধু মুখ নয় সারা শরীরের যত্ন নিন । বিশেষ করে শরীরের হাত পা নজর দিন শীতকালে আপনার রুপচর্চার উপকরনের অনেকটা জুড়ে থাকে কোল্ড ক্রিম ও ময়েশ্চাইজার । ঘরোয়া পদ্ধতিতে রুপচচা করলেও যত্ন নিতে হবে পুরো শরীরের আদ্রতা জোগানের উদ্দেশ্য। কি শীত কি গ্রীষ্ম ত্বক পরিস্কার করার প্রয়োজন সব ঋতুতে একই রকম বলতে গেলে ত্বকের যত্নের প্রথম ধাপ হলো ক্লিনজিং নিয়মিত ত্বক পরিস্কার করলেই ত্বকের অর্ধেক সমস্যা চলে যায়। তবে ত্বক পরিস্কার করবেন কি দিয়ে তা ঠিক করবেন আপনার ত্বকের চরিত্র জানার পরে । আগে জেনে নিন আপনার ত্বক তৈলক্ত , শুস্ক, স্বাভাবিক কি না । অনেক সময় মিশ্র ত্বক ও দেখা যায়। কপাল নাক ও চিবুক তৈলাক্ত আর গলা ও বাকী অংশ শুস্ক । কাচা দুধ অবশ্যই এই তিনধরনের ত্বক পরিছন্ন করার উপযোগী। । কাচা দুধ এর মধ্য তুলা ভিজিয়ে সেই তুলা দিয়ে নাক চিবুক গাল মুখের প্রতিটি অংশ পরিস্কার করুন । দুধ দিয়ে মুছার পর কুসুম গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন সপ্তাহে একদিক ক্লিনজিং মাস্ক ব্যবহার করুন । বাড়িতে তৈরি করতে দই ও ডিমের ক্লিনজিং মাস্ক এর কথা জানানো হলো- ডিমের সাদা অংশ ঘরের পাতা টক দই সামান্য মিশিয়ে ফেটিয়ে নিন । এটি মুখে গোলায় লাগান। কুড়ি মিনিট রেখে ভেজা নরম কাপড়ে মুছে নিন। ত্বকে আদ্রতা জাগাতে ভেষজ ময়েশ্চারইজার ব্যবহার করতে পারেন । তৈলাক্ত ত্বকের আদ্রতা জোগাতে ব্যবহার করুন দই ও শশার রস। দই ও শশার রসের মিশ্রনের আগে ত্বকে ক্লিনজিং দিয়ে পরিস্কার করে তারপর ব্যবহার  করুন । বেশ কিছুক্ষন আলতো করে মাসাজ করুন তারপর ঠান্ডা পানির ঝাপ্টা মুখ ধুয়ে নরম কাপড় মুখ মুছে ফেলুন । শুস্ক ত্বকের জন্য দুধের সর ব্যবহার করুন । দুধের সর আপনার মুখের আদ্রতার সঙ্গে সঙ্গে প্রয়োজনীয় পুষ্টি জোগাতে সাহায্য করে । যাদের ত্বক অতিরিক্ত শুস্ক তারা দুধের সরের সাথে মধু ব্যবহার করবেন শীতকালে অবশ্যই ফেসিয়াল করা দরকার ত্বকের ধরন অনূযায়ী । শুধু শীতে নয় সব ঋতুতেই ত্বকে ক্লিননিং হলো প্রথম ধাপ দ্বিতীয় ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার । ফেসিয়াল ছাড়াও শীতকালে বাড়তি রাখতে শীতের সময় ত্বকের স্বাভাবিক তেল শুকিয়ে যায় । ফলে ত্বক হয়ে শুস্ক । তাই মুখের ত্বকের সঙ্গে শরীরের বিশেষ যত্নের দরকার । গোসলের আগে অলিভ অয়েল তেল মালিশ করা প্রয়োজন । গোসলের পর বডি ময়েশ্চারাইজার লাগাবেন। চাইলে গোলাপ জল ও গ্লিসারিন ব্যবহার করতে পারেন । শীতে মুখের ত্বক অমুজ্জল দেখায় ক্লিনজিং পর ভেষজ ক্লিনজিং মাস্ক ব্যবহার করুন ।

 

১। একটি আলুর রস ও মুলতানি মাটি মিশিয়ে এক সঙ্গে মুখের ত্বকে লাগান । শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন । ময়লা পরিস্কার  করতে শশার রস ও মুলতানি মাটি ব্যাবহার করতে পারেন। এছাড়া স্ট্রবেরি থেতো করে ত্বক পরিস্কার করতে পারেন । অতএব মুখের ত্বক অনুজ্জ্বল দেখলেই ত্বক পরিস্কার দিকে নজর দিন। ত্বকে মরা কোষ জমে ও ত্বক অনূজ্জ্বল দেখায় সে ক্ষেত্রে ব্যবহার করুন স্কাবার। ঘরোয়া পদ্ধতি হলো কমলার খোসা গুড়ো আমন্ড পাউডার ও ওটলিমের ভুষি এক সঙ্গে মিশিয়ে ভেজা ত্বকে আলতো করে ঘসে নিন তারপর ধুয়ে ফেলুন । হাতের ও পায়ের ত্বক অনুজ্জ্বল দেখালে গ্লিসারিন লেবুর রস ও সামান্য লবন দিয়ে ঘসে নিন।

 

 

হালকা পানিতে পা ভিজিয়ে ব্রাশ দিয়ে পা পরিস্কার করে ভেজলিন ব্যবহার করুন । মুখের ত্বকের ক্লান্তি দূর করার জন্য আধাকাপ শশা কুড়ানো একটি ডিমের সাদা অংশ ও অল্প লিল্ক স্কিমড পাওডার  এক সঙ্গে মিশিয়ে মিশ্রনটি মুখের ত্বকে লাগান। মিনিট পনেরো রেখে হাল্কা কুসুম গরম  পানিতে ধুয়ে ফেলুন। এতে মুখের ত্বকের ক্লান্তির ছাপ করে যেতে সাহায্য করে ।

 

২। শীতকালে সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে এ সময় মুখ এবং শরীরের ত্বক অত্যাধিক শুস্ক হয়ে পড়ে । এটি থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য সব সময়ই খুব সচেতন থাকতে হবে । এর পাশাপাশি মুখ এবং শরীরে ভালো ম্যয়েশ্চাইজার ও কোকো বাটার ক্রিম ব্যবহার করতে হবে চুলের আদ্রতা প্রতিরোধে ভালো করে কোনো শ্যাম্পু ও সেইসাথে কন্ডিশনার দিতে হবে। শীতের দৈনন্দিন রুপরুটিনের মধ্যে ফেসওয়াস , টোনার ও ময়েশ্চাইজার ব্যবহার করার আগে বিষয়টি অন্তভুক্ত করতে হবে। তবে এগুলোর ব্যবহারের আগে বিশেষজ্ঞ কাউকে দিয়ে ত্বকের ধরন পরীক্ষা করে করিয়ে সে অনূযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে । চুলের যত্নে সম্ভব হলে ভালো শ্যাম্পু ও কন্ডিশনার ব্যবহার করতে হবে আমাদের দেশে সাধানত টিনএজ এবং ১৫থেকে ২১ বছর বয়েসীদের ত্বক একটু তৈলাক্ত থাকে । বয়স বাড়ার সাথে সাথে এটি পরিবর্তিত হয় এবং ত্বক ধীরে ধীরে শুস্ক হতে থাকে । আবার গায়ের রঙেরদিক থেকে আমাদের দেশে শ্যামলা বর্নের মানুষই বেশি দেখা যায় । কাজেই যে কোনো রুপচর্চাও মেকাপের জন্য ত্বকের ধরন বয়স গায়ের রং এসব বিষয়ে লক্ষ্য রাখতে হবে । শীতের মুখের জন্য ফেসিয়ালটা খুব প্রয়োজনীয় এছাড়া নারকেল তেল অলিভ অয়েল বা আরোম অয়েল দিয়ে মাসাজ করে গোসল করা ভালো আর লিপস্টিক ময়েশ্চ্রাইজার যাই ব্যবহার করুক না কেন তা ভালো ব্রান্ডের হতে হবে। কেননা কম দামী

কিংবা অপরিচিতি পন্য ব্যবহারের ফলে ত্বকে আলার্জি হতে পারে ।

 

শীতে ত্বক কালো হওয়া থেকে রক্ষা পেতে হলে ত্বককে শুস্ক হওয়ার হাত থেকে রক্ষা করতে হবে এবং প্রচুর পরিমানে পানি ফলমুল , সবজি ও তরল জাতীয় খাবার খেতে হবে

সেই সাথে ভালো সান ব্লকার ব্যবহার করতে হবে।   


Add as favourites (47) | Quote this article on your site | Views: 153

Be first to comment this article
RSS comments

Write Comment
  • Please keep the topic of messages relevant to the subject of the article.
  • Personal verbal attacks will be deleted.
  • Please don't use comments to plug your web site. Such material will be removed.
  • Just ensure to *Refresh* your browser for a new security code to be displayed prior to clicking on the 'Send' button.
  • Keep in mind that the above process only applies if you simply entered the wrong security code.
Name:
E-mail
Homepage
Title:
BBCode:Web AddressEmail AddressBold TextItalic TextUnderlined TextQuoteCodeOpen ListList ItemClose List
Comment:



Code:* Code
I wish to be contacted by email regarding additional comments

 
< Prev   Next >
About Us      Privacy Policy      Advertisement      Contact Us      Help with Bangla     
© 1997-2008 BangladeshShowBiz.com All Rights Reserved