|
Vin Diesel The Action Hero |
|
|
|
Page 1 of 2
অ্যাকশন হিরো ভিন ডিজেল
দ্য ফাস্ট অ্যান্ড দ্য ফিউরিয়াস সিরিজের চার নম্বর ছবি ফাস্ট অ্যান্ড ফিউরিয়াস মুক্তি পেয়েছে সম্প্রতি। ইন্টারক্যুয়েল সিরিজের এ চলচ্চিত্রটি নিয়ে অ্যাকশনপ্রিয় দর্শকদের মধ্যে ছিলো ব্যাপক আগ্রহ, যার অনেকটাই পূরণ করতে পেরেছে এ চলচ্চিত্রটি। এই চলচ্চিত্রে অ্যাকশন হিরো হলেন ভিন ডিজেল। ১৯৯০ সালের দিকে যখন ভিন ডিজেল অভিনয় শুরু করেন তখন থেকেই তার এই আত্মপরিচয় নিয়ে বেশ বিপাকে পড়তে হয়েছিল। কমেডি থেকে রোমান্টিক সব ধরনের চরিত্রেই কমবেশি চেষ্টা করেছিলেন। ফলাফল, কোনো ঘরানাতেই ঠিক থিতু হতে পারছিলেন না। সাফল্য যেন অধরাই থেকে যাচ্ছিল। ছোটখাট কাজ করতে করতেই এভাবে কেটে যায় ১০ বছর। ২০০০ সালে সায়েন্স ফিকশন চলচ্চিত্র 'পিচ ব্যাক' যেন নতুন করে চিনিয়ে দিলো ভিন ডিজেলকে। চরিত্রটি অ্যান্টি-হিরো হলেও তাকে দিয়ে যে অ্যাকশন জিনিসটা হবে, তা সেখানে ঠিকই বোঝা গিয়েছিল। এর এক বছর পরই মুক্তি পেল অ্যাকশন হিরো হিসেবে বিন ডিজেলের প্রথম চলচ্চিত্র দ্য ফাস্ট অ্যান্ড দ্য ফিউরিয়াস। এরপর থেকেই তাকে আর পিছন ফিরে তাকাতেও হয়নি। ২০০২ সালে মুক্তি পায় ট্রিপল ক্রস, দ্য ফাস্ট অ্যান্ড দ্য ফিউরিয়াস, ২০০৬ সালে টোকিও ড্রিফট, ২০০৮ সালে ব্যাবিলন এডি এবং সম্প্রতি মুক্তিপ্রাপ্ত ফাস্ট অ্যান্ড ফিউরিয়াস। প্রতিটি ছবির চরিত্রগুলতে মানানসই অভিনয় করে শ্রোতা-দর্শকদের বিশ্বাসের মূল্যই যেন দিয়ে যাচ্ছেন তিনি। দ্য ফাস্ট অ্যান্ড দ্য ফিউরিয়াস সিরিজের চার নম্বর ছবি হলেও ফাস্ট অ্যান্ড ফিউরিয়াসকে ঠিক সিক্যুয়েল বলা যাবে না। এর চেয়ে বলা ভালো ইন্টারক্যুয়েল। কেননা এই ছবির কাহিণী আবর্তিত হয়েছে সিরিজের দ্বিতীয় চলচ্চিত্র 'টু ফাস্ট টু ফিউরিয়াস' এবং তিন নম্বর চলচ্চিত্র দ্য ফাস্ট অ্যান্ড দ্য ফিউরিয়াস, টোকিও ড্রিফট এর মাঝের সময়টা জুড়ে। যেখানে শুরুতেই লেট্রি (মিশেল রাড্রিগুয়েজ) মারা পড়লে প্রতিশোধ নিতে সুদূর পানামা থেকে ছুটে আসেন ডামনিক টরেন্টো (ভিন ডিজেল)। ওদিকে এফবিআই কর্মকর্তা ব্রায়ান ওকনর (পল ওয়াকার) খোঁজ করতে থাকেন শহরের সবচেয়ে বড় মাদক ব্যাবসায়ীকে। এক সময় দেখা যায় আদতে তারা দুজন ছুটছেনএকই ব্যক্তির পিছনে।এক সঙ্গে কাজ শুরু করেন দুজনে। আর এভাবেই এগিয়ে চলে ছবির গল্প। ছবিটি প্রচন্ড ফাস্ট হলেও ফিউরিয়াস লাগেনি কখনো।
Add as favourites (59) | Quote this article on your site | Views: 369
|