| Terning Pont of Actors |
|
|
|
আমার অভিনয় ক্যারিয়ারে টানিং পয়েন্ট বলতে গেলে প্রথমেই বলতে হয়
তবুও সে নাটকের কথা প্রধান কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় ওটাই প্রথম তার আগে যে সব
নাটকে কাজ করছি তা সেভাবে সাড়া জাগায়নি । বলা চলে তবুও সে করার পর নায়ক কিংবা
প্রধান চরিত্র যাই বলি সেই সব
চরিত্রে সেই সব চরিত্রে একের পর এক প্রস্তাব পেতে থাকি। তারপর করি ধারাবাহিক নাটক
কোন কাননের ফুল । এই নাটকে মাধ্যমে শমী কায়সার এর বিপরীতে কাজ করি । এটিও আমার
অভিনয় জীবনের অন্যতম টানিং পয়েন্ট।
জাহিদ হাসান- নাট্যকেন্দ্রের অন্যতম আলোচিত নাটক বিচ্ছুতে
নাম ভুমিকায় অভিনয় করে দর্শকের কাছে প্রশংসিত হতে থাকি। সেই সুবাদে টেলিভিশন
প্রযোজক এবং নাট্যপ্রেমীদের কাছে পরিচিতি বাড়তে থাকে । যেহেতু মঞ্চ নাটক দিয়ে আমার
অভিনয় জীবন শুরু সেহেতু বিচ্চু আমার জন্য
টানিং পয়েন্ট এছাড়া বিটিভিতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গল্প অবলম্বে
নির্মিত সমাপ্তি নাটক অভিনয় করা ছিল আমার অভিনয় জীবনের টানিং পয়েন্ট। নাটকটি আমাকে
ব্যাপক পরিচিতি এনে দেয়। এছাড়া হুমায়ন আহমেদের নক্ষদের রাত, আজ রবিবার সবুজ ছায়া ।
সেই থেকে আমাকে পেছনে তাকাতে হয়নি।
তৌকির আহমেদ- মনসুরুল আজিজের আলোচিত এবং জনপ্রিয় নাটক
ফিরিয়ে দাও অরন্য আমার জন্য টানিং পয়েন্ট হিসাবে কাজ করছে । আমাকে আর পেছনে ফিরে
তাকাতে হয়নি । নেশার আসক্ত যুবকের চরিত্রে
অভিনয় করে বেশ প্রশংসা পায় । তারপর যতদুর রুপনগর নাটক দুটিও আমাকে ব্যাপক পরিচিতি
এনে দেয়। এছাড়া মঞ্চে তোমরাই নাটকে রঞ্জু চরিত্রে অভিনয় করার
পর সবার কাছে গ্রহনযোগ্যতা হয়।
সুমাইয়া শিমু- সত্যি কথা বলতে আমার তারকাখ্যাতি কিংবা ব্যাপক
পরিচিতি হুট করে আসেনি। এসেছে ধীরে ধীরে । কাজেই টানিং পয়েন্ট হিসাবে দু চারটি
নাটকের ক্রেডিট দেওয়া যাবে না । তবে একটি কথা না বললেই। তবে একটি কথা না বললেই নয়
স্বপ্নচুড়া নাটকটি আমাকে সবার কাছে সেভাবে অসম্ভব জনপ্রিয়তা এনে
দিয়েছে তা সত্যিই আমার জন্য বড়
পাওয়া এবং সেই সঙ্গে বড় আনন্দের বিষয়ও।
নিরব- বাংলালিংক বিজ্ঞাপনটি অবশ্যই আমার মডেলিং ক্যারিয়ারে
টানিং পয়েন্ট। এ জন্য আমি শতভাগ কৃতজ্ঞ অমিতাভ রেজার কাছে । যদিও নেসক্যাফে কফি
করার পর আমাকে আর পেছনে তাকাতে হয়নি ।, এরপর একটেল একসিট বিজ্ঞাপনটিও আমাকে অনেক
পরিচিতি এনে দেয়। কিন্তু সবচেয়ে বেশি এবং সবার কাছে পৌছে যায় বাংলালিংক দেশ প্রি
পেইড বিজ্ঞাপন করে।
বাধন- লাক্স চ্যানেল আই সুপারস্টার প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে
তৃ্তীয় স্থান অধিকার করা আমার জন্য প্রথম
টানিং পয়েন্ট। বলতে গেলে স্বপ্ন দেখা তখন থেকেই শুরু । তারপর তারপর একে একে হুমায়ন
আহমেদের কয়েকটি নাটকে অভিনয় করি । সে নাটকে মাধ্যমে আমার পরিচিতি বাড়তে থাকে । যেমন হুমায়ন আহমেদের
অতপর শুভবিবাহ, চন্দ্রকারিগর, কবি নাটক কয়েকটি নাটক আমার ক্যারিয়ারে
ভুমিকা রেখেছে। সেই সঙ্গে ওয়ারিদ বিজ্ঞাপনও ব্যাপক দশকপ্রিয়তা এনে দিয়েছে। কাজেই
এইসব আমার টানিং পয়েন্ট ।
তাজিন আহমেদ-শেষ দেখা শেষ নয় নামে একটি এক ঘন্টার নাটক করার পর
বিটিভির প্রযোজক আহসান হাবীব আমাকে ডাকেন। তিনি আমাকে তার প্রযোজিত সাত পৌ্রে
কাব্য ধারাবাহিক নীলা চরিত্রে কাস্টিং দেন। ওই নাটকের নাট্যকার ছিলেন
অনন্ত হীরা । তারপর আমি সাত পৌ্রে কাব্য নাটকে অভিনয় করি। যদিও আমার জন্য
চ্যালেঞ্জিং ছিল কিন্তু কাজটি করার পর বিপুল সাড়া পায় । ব্যাপক পরিচিতি আসে । সবাই
ডাকতে থাকে আমাকে । Add as favourites (53) | Quote this article on your site | Views: 203
Write Comment
|
||||||
| < Prev | Next > |
|---|





