|
স্বাপ্নিক এক কারিগর
স্বপ্নের চাদরে মোড়া একটি পৃথবীর সন্ধান করেন তিনি স্বপ্নের
বাস্তবায়ন দেখতে চান ফ্রেমের ভেতর দিয়ে। মনের মাঝে গুমড়ে থাকা সূক্ষ
অনুভুতিগুলো প্রকাশের অন্তরালের মানুষ তিনি। পেশা ও নেশা দুটোই তার নির্মান।
নির্মানের এ নেপর্থ্যের মানুষটি নাম মেজবাউর রহমান সুমন।
সুমনের বর্তমান ব্যস্ততা নাটক নির্মান নিয়ে হলেও তার স্বপ্ন
চলচ্চিত্র নির্মানে স্বপ্ন দেখেন তিনি। খুব কমিউনেকেটি ছবি না হলেও দর্শকরা হলে
বসে মুখ গুমড়ে বসে থাকবে না । চারুকলার ছাত্র হওয়ায় শিল্প বা শৈল্পিক
জায়গার প্রতি আকর্ষনটা বরাবরই ছিল সুমনের। নুরুলা আলম আতকের নির্মান তাকে খুব
আকৃষ্ট করত তাকে নাটক নির্মানের স্বপ্ন দেখতে শুরু করলেন এভাবেই স্বপ্ন থেকে
সাধানার শুরু। প্রায় তিন বছরের সাধনা শেষে নির্মান করলেন প্রথম নাটক আমি অরুপার
কাছে যাচ্ছি। সুমনের দ্বিতীয় নাটক দখিনার জানালাটা খোলা আলো আসে চলে যায়। নাটকটি
প্রসঙ্গে সুমন বলেন প্রথম দিকে গল্প শুনে অনেকেই নাটকটি করলে বোরিং হবে। এই ডায়ালগ প্যাটান
বেশ কঠিন। এটি টিভি দর্শকের জন্য নয়। প্রথম দিকে কিছুটা হদ্দাম হলেও নিজেকে ভেঙ্গে
যখন দেখলাম তখন আমি বুঝলাম আমি আসলে ৮০ ভাগ দর্শকের জন্য নয় ২০ ভাগ দর্শকের জন্য
নাটক বানাতে চাই। এই আত্ববিশ্বাস থেকেই দখিনের জানালারটা খোলা আসে আলো চলে যায়
নাটকটি নির্মান করি।
নাটকটি
মাধ্যম এ তরুন - তুর্কীর পরিচিতি ছড়িয়ে পড়ে। শুধু তাই নয় এ নির্মানের জন্য
অ্যাডওয়াড পেয়ে যান তিনি। সম্প্রতি মান্না দেব বিখ্যাত গান কফি হাউজ অবলম্বনে
নিমিত সুমনের ধারাবাহিক নাটকটিও বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে। নিমান দর্শনের কথা বায়ান
করতে গিয়ে সুমন বলেন আমি শহরের একটি ছেলে। জোৎস্নার চেয়ে নিয়ন আলো বেশি দেখি আমি
জানালা দিয়ে আকাশ দেখি সে আকাশ আমার জানাল দিয়ে ছোট হলেও সে আসলে বিশাল। আমার গল্প
বড় জায়গায় হয় না । কিন্তু আমি মনে করি ছোট ছোট অনুভূতি বড় কিছুর ইঙ্গিত দেয়।
নির্মানের ক্ষেত্রটাতেই সব সময় ভিন্ন কিছু করার চেষ্টায় মত্ত সুমন। তিনি মনে করেন
পেন্টিংসের শেপটা যদি ভিন্ন হয় তা যেমন মানুষের দৃষ্টি আকর্ষন করে তেমনি নাটকের
ক্ষেত্রে গল্প বলার ধরন বা ভঙ্গিটা যদি আলাদা হয় তাহলে তা দর্শক গ্রহন করবেই। সুমন
বিশ্বাস করে যে যেই ক্ষেত্রেই প্রতিষ্ঠিত হন না কেন প্রথম দিকে সংগ্রাম করেই নিজের
অবস্থান তৈ্রী করতে হয়। এ প্রসঙ্গে সুমনের দৃষ্টি ভঙ্গি হচ্ছে। আমাদের দেশের
মাষ্টার মেকাররা যারা আছেন তাদের শুরুটা কিন্তু সংগ্রাম মুখরই ছিল। তা যে
ক্ষেত্রেই প্রতিষ্টিত হতে চান কেন সংগ্রামের বিকল্প নেই, নির্মানের ট্রেড হিসেবে
এখন সুক্ষ বিষয় নিয়ে কাজ করার প্রবনতা দেখা দিয়েছে। নির্মানের এ ধারা বদলের কথা
বলতে গিয়ে সুমন বলেন কোন একটি যুগ প্রতিনিধিত্ব মধ্যে একই ধরনের কাজ করা প্রবনতা
দেখা দিয়েছে। নির্মানের এ ধারা বদলের কথা বলতে গিয়ে সুমন বলেন কোনো একটি যুগ
প্রতিনিধিত্ব করে একটি প্রজন্মের ঐ প্রজন্মের মধ্যে একই ধরনের কাজ করা প্রবনতা
দেখা যায়। এক কথায় ইজম বলা যায় একে। ফলে এখন ক্ষুদ্র বিষয় নিয়ে নির্মাতাদের কাজ
করার বিষয়টি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তবে নবীন নির্মাতাদের কাজের ক্ষেত্রেটিতে প্রযোজক
ও চ্যানেল গুলোর কিছু দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনের প্রযোজন আছে বলে মনে করেন তিনি।
তরুনদের ভুল- ভ্রান্তি হবে। ভুল গুলো ধরিয়েও দিতে হবে । এ ক্ষেত্রে প্রথমে দেখতে
হবে গল্প বলার ধরনে অভিনবত্ব থাকলে অবশ্যই তরুনটিকে সুযোগ করে দেয়া উচিৎ। নাটক
নির্মান সংলাপ, অভিনয় প্রতিটি ক্ষেতেই ব্যাকরন ভাঙ্গার একটি রীতি চালু হয়েছে ।
সময়ের সঙ্গে অভ্যস্ত সুমনও। সময়ের সঙ্গে সব কিছুতেই পরির্বতন আসে। তবে ব্যাকরন
ভাংতে চায় তাহলে কিন্তু ইটের নির্মনটা কিভাবে হল তা তাকে জানাতে হবে। তা না হলে
সুন্দর করে ভাঙ্গা সম্ভব নয়। তাই ব্যাকরন ভাঙ্গার
Add as favourites (57) | Quote this article on your site | Views: 178
|