| Social Awarness is key to protect from Destory |
|
|
|
সামাজিক সচেতনতা সামাজিক
অবহ্ময় রোধে পরিবারের ভূমিকাই বেশি
চঞ্চল চৌধুরী
আমি আজকের চঞ্চল চৌধুরী হয়েছি অভিনয়
করে। অভিনয় দেখে লোক আমাকে কখনো বাহবা দিয়েছে, কখনোবা বলেছে অভিনয়টা ভালো হয়নি।
অভিনয় করবার আগে আমি শুধুই সাধারণ মানুষ ছিলাম। এর মানে
এই নয় যে আমি এখন অসাধারণ মানুষ হয়ে গেছি। শুধুই বলছি যে আগে আমাকে পথেঘাটে কেউ
চিনত না, এখন অল্প কিছু মানুষ হলেও চেনে। যারা চেনে তারা সবসময়ই আমার কাছ থেকে
ভালো কিছু আশা করে। সেজন্য আমারও দায়িত্ব অনেক। আমার
একটা ভুল পদহ্মেপ বা বাজে ব্যবহার এই অল্প কিছু
মানুষের জন্য নেগেটিভ ইমপেক্ট ফেলতে পারে। তাই একজন অভিনেতা বা শিল্পী হিসেবে শুধু
আমি নই প্রতিটি শিল্পীরই দায়িত্ব রয়েছে। এক নিঃশ্বাসে কথাগুলো বললেন এ সময়ের
জনপ্রিয় অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী। চঞ্চল চৌধুরী আরো জানালেন, তিনি একজন শিল্পী হিসেবে
এমন কোনো চরিত্রে কাজ করবেন না যা সমাজের জন্য বা মানুষের জন্য খারাপ কোনো কিছু
ইঙ্গিত দেয়। বরং এমন ধরনের চরিত্রে কাজ করবেন যা দ্বারা সমাজের সব শ্রেণীর মানুষের
মধ্যে সচেতনতা বাড়ে।
চঞ্চল চৌধুরীর মতে। আমাদের বর্তমান
সমাজের বা সময়ের অন্যতম মূল সমস্যা হচ্ছে মাদক। তার মতে এই মাদকের
ভয়াবহতা এতই ব্যাপক যে টিনএজ থেকে তারুণ্য সবারই জীবন বিপন্ন হতে
শুরু করেছে। অতিরিক্ত নেশায় আসক্ত হয়ে এই প্রজন্ম ধরাকে সরা জ্ঞান করছে। সমাজের
উন্নয়নে না এসে বরং অবহ্ময়ের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।
তিনি আরো বললেন, এর জন্য পরিবারকে সবার
আগে অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে। বাবা-মাকে সদ্য টিন-এ প্রবেশ করা ছেলেমেয়েদের সাথে
ভালো বন্ধু হতে হবে। তাদেরকে প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত টাকা দেয়া থেকে বিরত থাকতে
হবে। যত ব্যস্ততাই থাকুক না ছেলেমেয়েদের সময় দিতে হবে।
চঞ্চল চৌধুরী আরো বললেন, টিনদের স্বাধীনতা
চাওয়াটাই স্বাভাবিক।কিন্তু স্বাধীনতার মাত্রাটা কতটুকু হবে সেটা বাবা- মারও খেয়াল
রাখতে হবে। আর টিনদেরকেও খেয়াল রাখতে হবে যে, হঠাৎ স্বাধীনতা যেন নীল নেশার ভয়াবহ
ছোবল হয়ে না ওঠে।
চঞ্চল চৌধুরী আরো বললেন যে, আমাদের
সমাজের আরো একটা সমস্যা হচ্ছে এইডস, এটার পেছনেও কিন্তু
নেশা দায়ী। কারণ হচ্ছে নেশার ইনজেকশনের মধ্যে দিয়েও এইচ আইভি ছড়ায়। তাই এইদিকে
সচেতন হতে হবে। তার ভাষায় বলা যায় যে,এইসড থেকে বাঁচতে হলে আমাদের সামাজিক যে বধিনিষেধ রয়েছে তা মেনে চলা উচিত এবং ধর্মীয় অনুশাসনটাও মানা উচিত। তার মতে, ধর্ম মানুষকে সভ্য করে। তাই অন্তত এর কিছু নিয়ম-কানুন মানলেও এইচআইভি-এর মতো ঘাতক থেকে রেহাই পাওয়া যাবে। আর কেউ যদি এইডস আক্রান্তও হয় তাকে ফেলে না দিয়ে কাছে টেনে নিতে হবে। Add as favourites (39) | Quote this article on your site | Views: 103
Write Comment
|
||||||
| < Prev | Next > |
|---|





