|
Page 1 of 2
শুটিং স্পটে মজার ঘটনা
কত চ্যানেল কত নাটক। প্রতিদিন সকাল থেকে শুরু করে ভোর রাত অবধি
চলে তারকাদের ব্যস্ততা। ব্যস্ত এই সময়ে কাজের মধ্যে ঘটে যায় নানা রকম মজার ঘটনা। পরে
যা মনে করে নিজের অজান্তেই হেসে ফেলেন তারা।
একবার মডেলিং করতে গিয়েই রিয়া চোখে সর্ষেফুল দেখতে পেয়েছিলেন
যদিও ঘটনাটি তখন ভয়ংকর তথাপি আজ রিয়ার কাছে তা হাসির কারন মাত্র। সেবার এশিয়ান
টেক্সটাইলের বিজ্ঞাপনের শুটিং হচ্ছিল। স্কিপ্ট ছিল রিয়া একটি ঘোড়ায় বসে থাকবে আর
তার সহশিল্পী ঘোড়ার লাগাম টেনে বীর হেটে চলবে। সব প্রস্তুত সম্পন্ন। টু ওয়ান জিরো
বলতেই ঘোড়া বেপরোয়া হয়ে গেল। সব ছেড়ে দিয়ে রিয়াকে নিয়ে পাগলের মত দিল ছুটতে শুরু করল
বেচারা ঘোড়ার মালিক এসে শেষমেষ রিয়ার চিৎকার থামালো। পরিশেষে ঘোড়ার মালিকেই ঘোএয়ার
ড্যামি হিসেবে ব্যবহার হয়।ফোর টুয়েন্টি নাটকে নাফিজা সব সময় একটা
বডিগার্ডের নিয়ন্ত্রনে থাকতে হতো। সেটে সারাক্ষন বডিগাড নিয়ে থাকতে থাকতে যে এতটাই
অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছিল যে বাড়িতে ফিরেও তাকে এড়াতে পারেনি
কেমলই মনে হত তার পেছনে বডিগাড ঘুরছে । এড়াতে পারেনি ফজলুর রহমান বাবুও তবে বাবু
এড়াতে চেয়েছিলেন তার দশকদের । একবার এক চোরের দৃশ্য অভিনয় করেছিলেন বাবু দৃশ্যটা
এমন যে ধানমন্ডী এলাকায় খালি গায়ে বাবু দৌড়াতে থাকবেন তার পেছনে লোকজন চোর চোর বলে
ধাওয়া দিতে থাকবে। এক সময় দৃশ্য ধারন করা হয়। কিন্তু উৎসুক জনতা সত্যি সত্যি
বাবুকে চোর ভেবেই ধাওয়া করতে থাকে থামতে চায় না । আগ্যতা ইউনিটের লোকজন এসে বাবুকে
রক্ষা করে । বাবু রক্ষা পেলেও সুইটির বেশ কষ্ট হয়ে পড়ে। সুইটি বলেন বেশ কয়েকবছর
আগে গাজিপুরে
এক নাটকের অভিনয়ের জন্য যান। এই সংবাদে সুইটি ভক্তরা এতটাই আনন্দিত
হয়েছিল, একবার তাকে না দেখে বাড়িতে ফিরতে নারাজ এদিকে বেলা গড়িয়ে যাচ্ছে। আলোর
উপস্থিতিতে দৃশ্য ধরেন ক্যামেরাম্যান তাই নির্মাতাদের অনুরোধে সুইটিকে বিশাল
জনসমুদ্রের সামনে আসতে হয়। সজল একটা স্ট্রিট শো উপস্থাপনা করেন। রাস্তার মানুষদের
সাথে কথা বলতে বলতে সজলের এমন অবস্থা হয়ে গিয়েছিল যে সবাই মিলে সজলকে ক্যামেরার
বাইরে বের করে দেয়। নিয়ন্ত্রনের বাইরে অবশ্য শাবানা কম যান না । এক ছবির দৃশ্য
শাবানা, রাজ্জাক, জাফর ইকবাল ও সুনেত্রী ভিলেন হিসেবে এটিএম সামসুজ্জামান খুব
করে চড়াবেন। তবে দৃশ্য অনুযায়ী চড় গুলো খুব আস্তে আস্তে পড়বে। কিন্তু শাবানা
বুদ্ধি করে সজোরে চড়াতে থাকেন। দৃশ্যটি সম্পুন্ন হতে হতে এটিএম এর গাল লাল হয়ে
যায়। নাট্যকার তিশাকে বুঝিয়ে দেন সজোরে চড় দিতে আহম্মেদ রুবেলের গালে আর এই চড়
খাওয়ার কথা একেবারে অগাত্য রাখা আমম্মেদ রুবেলের কাছে অগাত্য তিশার চড়ে আবুল হয়ে
যান আহম্মেদ রুবেল। সম্প্রতি করা ফারাহ রুমার একটি ধুমপান আসক্ত নারীর
চরিত্রে অভিনয় করতে হচ্চে। এই নাটকে রুমা সিগারেট খেতে খেতে ফারাহ রুমাকে তার
জীবনের কাহিনী বলেন। আর এই সিগারেট টানার ফলে ফারাহ রুমা অসুস্থ্য হয়ে
পড়েছেন।
Add as favourites (82) | Quote this article on your site | Views: 442
|