| Shosi |
|
|
|
অনেক বেশি কিছু কখনই করতে চাইনি
আনন্দধারার ফটোসুন্দরী শশী হাজার বছর ধরে ছবিতে অভিনয় করে সবাই
দৃষ্টি কাড়েন শশী । তারপর থেকেই পড়াশুনা পাশাপাশি চালিয়ে যাচ্চেন অভিনয়।
আনন্দধারা - মিডিয়ার আমার পথচলা শুরু লাক্স আনন্দধারা সুন্দরী
প্রতিযোগিতা
মাধ্যমে। সেটা ২০০৩ সালের কথা। ফান করতে করতে আমি এই প্রতিযোগিতায় ছবি পাঠিয়েছিলাম
। আসলে আমি দেখতে চেয়েছিলাম কি হয় দেখি না একটু পরখ করে আমার বাড়ি রংপুর আমি
রাজশাহী বিভাগ থেকে এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেই । অবশেষে রাজশাহী বিভাগ থেকে আমি
প্রথম হই । বিভিন্ন পত্র- পত্রিকায় আমার ছবি আসলো। তখনই কোন এক পত্রিকায়
সুচন্দা আন্টি আমার ছবি দেখে তার হাজার বছর ধরে সিনেমায় জন্য পছন্দ করলেন । তিনি
অনেক দিন ধরে সিনেমার জন্য নায়িক খুজছিলেন । পরে আমি জেনেছি আনন্দ ধারা থেকে
নাম্বার নিয়ে সুচন্দা আন্টি আমার সাথে যোগাযোগ করেন এই ভাবে
আমি হাজার বছর ধরে করলাম এবং নিজেকে মিডিয়ার সাথে জড়িয়ে ফেললাম।
আনন্দ ধারা- হাজার বছর ধরে সিনেমার মাধ্যমে আপনার মিডিয়ার
যাত্রা। এরপর কি আপনি অন্য কোন চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন?
শশী- হাজার বছর ধরে সিনেমাটা মুক্তি পেয়েছিল ২০০৫ সালে । এই
সিনেমায় অভিনয় করে আমি অনেক প্রশংসা পেয়েছি ও ভালবাসা পেয়েছি। এরপর আমি বীরশ্রেষ্ঠ
মতিউর রহমানের উপরে একটি সিনেমা অস্তিত্বে আমার দেশ করেছি। এখানে আমি মিলি
রহামানের চরিত্রে অভিনয় করেছি।
আনন্দধারা- হাজার বছর ধরে সিনেমাটি এবং অস্তিত্বে আমার দেশ
সিনেমায় অভিনয় করার অভিক্ষতা যদি বলেন......
শশী- হাজার বছর ধরে সিনেমাটা করার সময় অভিক্ষতা একেবারে
অন্যরকমের ছিল । আমি তখনও কোথাও কাজ করিনি, ক্যামেরাটাও ভালভাবে বুঝি না একটু ভয় লাগছিল। এই সিনেমায় রিয়াজ ভাই, এটিএম
সামসুজ্জামান আংকেল ছিল। তাদের সহযোগিতার কারনে আমার মনে হয়নি আমি নতুন কাজ করছি।
আমার
মনে হয়েছিল অনেকদিন ধরে কাজ করছি। সুচন্দা আন্টি অনেক হেল্পফুল ছিলেন এই সিনেমায়
যতটা পছন্দ হয়েছে সেটা সুচন্দা আন্টির
কারনে । শুটিং শুরু হবার এক সপ্তাহ আগে আমি ওনার বাসায় ছিলাম । এই
এক সপ্তাহ সুচন্দা আন্টি আমাকে চরিত্র সম্পকে কিভাবে অভিনয় করব এইসব বুঝিয়েছিলেন।
এবং আমাকে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে হাসির প্রাকটিস করতেও বলেছিলেন কতটা
হাসলে আমাকে সুন্দর লাগে। খেজুর গাছে ওঠা প্রাকটিস করতে হয়েছে হাজার বছর ধরে
সিনেমায় অভিনয় করার জন্য। আমি আসলে সুচন্দা আন্টির গাইড না পেলে এই সিনেমায় অভিনয়
করতে পারতাম না । এই টিমের কাছে আমি ভিষন কৃতজ্ঞ। এই ছবিতে আমি যতটুকু
করেছি তাদের সবার সহযোগিতার কারনে।
আনন্দধারা- এতো গেল সিনেমার অভিনয় করার কথা। নাটকের সঙ্গে
কিভাবে জড়িয়ে পড়লেন?
শশী-হাজার বছর ধরে সিনেমাটা মুক্তি পাবার পর আমি মেরিল প্রথম
আলো ২০০৫ সালের শ্রেষ্ট চলচ্চিত্র সমালাচোক পুরস্কার
পেয়েছিলাম । এই সিনেমায় অভিনয় করে আমি মোট চারটি পুরস্কার পেয়েছিলাম । তখন থেকে
আমার কাছে নাটকের অফার আসতে থাকে। আমি হাজার বছর ধরে সিনেমায় অভিনয় করার
আগেও মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর আয়েশা মংল নামে একটি নাটকে অভিনয় করেছিলাম । নাটকে এটা
আমার প্রথম অভিনয়। এরপর আশ্রাফ মিঠুর একটা নাটকে আমি বন্যা মির্জার
ছাত্রীর চরিত্রে অভিনয় করেছিলাম । এর পরের গুলো এখনও প্রচার হয়নি।
আনন্দধারা- আপনার আগের প্রজন্মের যারা অভিনয় করতেন এবং এখন
যারা অভিনয় করছেন তাদের মধ্যে পার্থক্য কি ?
শশী- প্রথমেই আমি একটা কথা বলতে চাই। আমরা একই বয়সে যারা কাজ
করছি তাদের মধ্যে অনেকেই আছে খুব ট্যালেন্ট । আগে যে অভিনয়ের লেবেল ছিল সেভাবে তার
অভিনয় করতেন। অনেকে বেশি ব্যাকরনগত শিখে এসে মেপে অভিনয় করতেন। মোটকথা তার শিখে
অভিনয় করছেন। অনেকের ব্যকবাউন্ড থিয়েটার থাকে না । আমার বাবা থিয়েটার করতেন,কিন্তু
আমি তো শিখিনী। তবে আমাদের প্রজন্ম না শিখে কাজ করলেও তারা ট্যালেন্ট।
আনন্দধারা-মিডিয়ায় কাজ করতে গিয়ে আপনি কি কোন সমস্যার সন্মুখীন
হয়েছেন কি?
শশী- আমি আসলে তেমন কোন সমস্যায় পড়িনি মিডিয়ার কাজ করতে গিয়ে।
এমি এখনও পড়াশুনা পড়াশুনা করছি। স্টামফোর্ড এলএলবি করছি। তাই মাঝে মাঝে অভিনয়
আর পড়াশুনা দুটো নিয়ে একটু সমস্যায় পড়তে হয়। তারপরেও আমি রুটিনটাকে সাজিয়ে কাজ
করছি । আমি প্রথম থেকেই দেখেশুনে একটা জায়গায় নিজেকে জড়াই। আমি খুব ফ্রেন্ডলি কাজ
করতে পছন্দ করি। কোন ইউনিট আমার পছন্দ না হলে আমি কাজ করি না । Add as favourites (122) | Quote this article on your site | Views: 512
Write Comment
|
||||||
| < Prev | Next > |
|---|





