| Mousumee Thard Inings |
|
|
|
পয়েন্ট অব নো রিটান মানে চলচ্চিত্র ছাড়বেন এমন সিধান্ত
নিয়েই গুডবাই জানিয়েছে মৌসুমি । দীর্ঘদিন নতুন ছবিতে সাইন করেননি মৌসুমি চলচ্চিত্রের
মানুষ আর ভক্তদের অনুরোধেই নতুন সিধান্ত নিয়েছেন ছবি করবেন তবে ঠিক আগের ছবি গুলো
নয় । এটি তার অভিনয় জীবনের তৃ্তীয় ইনিংস ।
ছবির স্যুটিং চলছিল উত্তরায়। গাজী মাজারুল আনোয়ারের
নতুন ছবি পাষানের প্রেম দুপুর, তাই মেকআপ রুমেও খাওয়া দাওয়ার
ধুম আর আড্ডা। আছেন মৌসুমি,অপু বিশ্বাস , জয় , নবাগত নায়ক আদনানসহ অনেকেই। মৌসুমির
সাথে আছে জুনিয়র মৌসুমি মানে ছোট্ট ফাইজা। পাষানের প্রেম ছবির গল্পটা এমন বিধবা
মৌসুমির জীবনে আসতে চাই আদনান। মৌসুমি বাচতে চাই তার স্বামীর স্মৃতি বুকে নিয়ে ।
সে
চায় আদনানের জ়ীবনে আসুক অপু বিশ্বাসের মতো একটি মিষ্টি মেয়ে। মৌসুমি আর একটি
ছবিতে সাইন করেছেন সেটি হল চাষী নজরুল ইসলাম দুই পুরুষ। সে ছবিতে মৌসুমি আর রিয়াজ
গোপনে বিয়ে করেন। গর্ভধারনের পর একটি দুঘর্টনায় মারা যায় রিয়াজ। মৌসুমির বাবা চান
এই সন্তানটি দেশের বাইরে বড় হোক । মৌসুমির বিয়ে হয়ে যায় শোয়েবের সাথে । এদিকে
সন্তান বড় হতে থাকে মৌসুমির সন্তান । একদিন মুখোমুখি হয় মায়ের সাথে ।
শুরুতেই প্রশ্ন ছিল ছবি ছাড়ার সিধান্তটা বদলে গেল
কেন?
মৌসুমি - খুব কি বদলেছে ? চলচ্চিত্রে নিয়মিত অভিনয় করব, আগের
মত দিন রাত ব্যস্ত থাকব এমন কথা বলিনি। সবার অনুরোধে বছরে ২-৩টি ছবি করব তবে সে
ছবি গুলো করার মত হলে ।
করার মত ছবি বলতে?
মৌসুমিকে তাই প্রশ্ন- ইন্ডাস্ট্রি তাহলে চলবে কী করে?
উত্তরটা এলো একটু ঝোক মিশিয়ে। কেন নতুন ছেলেমেয়ে নিয়ে । আমরা
যারা দীর্ঘ অভিনয় করছি তাদের ইমেজের কথা ভাবতে হয়। একই ধরনের চরিত্রে কাজ করতে
আমরা ক্লান্ত। দর্শক যে আমাকে এখনো গ্রহন করেছে আমি ভেবে অবাক হয়ে যাই । আর
ইন্ড্রাট্রির প্রয়োজনে বেশি প্রেশার নিতে গিয়ে শিল্পীরা শিডিউল মেলাতে গিয়ে হিমশিম
খান, ভুল করেন তখন তাদের বদনাম হয় বেশি নির্মাতের উচিত এই মুহুর্তে নতুন একঝাক
ছেলেমেয়ে নিয়ে এসে দর্শকের নতুন স্বাদ দেয়া। আমাদেও বৈচিত্রপুর্ন কাজে
সুযোগ দেওয়া ইউনিটে ফাইজা বেশ জনপ্রিয় মায়ের মত । অপ
মৌসুমি একসময় চলচ্চিত্র প্রযোজনা করছেন।
এখন ছোটপর্দায় কিছু নাটক প্রযোজনাও দেখা যাচ্ছে
তাকে । সে প্রসঙ্গটা উঠতে বললেন -সিনেমায় অভিনয়, নির্মান বা
প্রযোজনা যাই বলেন অনেক সময়ের ব্যাপার। ব্যক্তিগত ভাবে আমার পক্ষে এই মুহুর্তে
সংসার, অভিনয়ের পর সেটি সম্ভব না । মুলত সানির আগ্রহের কারনে ছোটপর্দায় কিছু
কাজ চলছে আমাদের প্রোডাশন থেকে ।
সম্প্রতি একজন শীর্ষস্থানীয় পরিচালক কাজী হায়াৎ আর নায়িকা অপু
বিশ্বাসের মধ্যে অপ্রীতিকর ঘটনার জের ধরে আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে ।
বিষয়টিকে আপনি কোন দৃষ্টিতে দেখেন?
মৌসুমীর চোখে পুরো বিষয়টি হলো চলচ্চিত্রের মানুষদের মাঝে যে
বোঝাপড়া কমেছে তার নমুনা । বললেন একজন শিল্পীর সন্মান করা । শুধু
পরিচালক না সবার সাথেই সুন্দর একটি সম্পর্ক তৈ্রী করা কারন দর্শক পছন্দ করলেই যে
ইন্ড্রস্ট্রি তাকে পছন্দ করবে এমন নয় । আবার একজন পরিচালক বা
ইন্ডাজট্রিও শিল্পীর সন্মান, সুবিধা অসুবিধা কথা ভাবা উচিত। আমরা
দেখি অনেক নির্মাতা এই অভিযোগ করেযে ওই শিল্পী ঠিক সময় মত আসে না ইত্যাদি।
এর উলটো ঘটানাও কিন্তু ঘটে । যেমন আটিষ্ট
এসে দেখেন সুটিং শূরু হবার কোন প্রস্তুতি নেই । তার পারিশ্রমিক হয়তো কথা মত
দেয়া হয়নি । চলচ্চিত্র নির্মানে শিল্পী ট্যকল করাটাও জানতে হয় । যে আটিষ্ট দেরি
করেন জেনে শুনে আপনি তাকে নেন কেন ? মৌসুমি চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নেতৃস্থানীয়।
প্রশ্ন-আমাদের চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির কাজটা তাহলে কী?
একটু থেমে বললেন সমিতির সিধান্ত মানব কি করে বলেন । শিল্পী যদি
সিধান্ত নেন আজ কেউ সুটিং করবে না পরিচালক সমিতি , প্রযোজক
সমিতি সেটা কি মানবে ? আমরা তো পেইড আটিস্ট। আর কেউ ঢাকায় শুটিং করেন কেউ আবার
বাইরে । সব সময় একত্রিত হওয়া সমস্যাগুলো নিয়ে আলাপ আলোচনা করা সম্ভব হয় না ।
আমাদের চলচ্চিত্রের অভিভাবক কারা তারাকি দায়িত্বটা নিতে পারেন
না ?
নায়িকাদের ইমেজ কেমন হওয়া উচিত এদেশে?
মৌসুমি বললেন, নিজের অভিক্ষতা হলো বাংলাদেশের দর্শকরা
নায়িকাদের রোমান্টিক সোস্যাল চরিত্রে, কমনীয়ভাবে দেখতেই বেশি পছন্দ করে। নায়িকাদের
উচিত প্রথম নিজের একটা ইমেজ তৈ্রী করা এরপর ভারি চরিত্রে যাওয়া।
Add as favourites (106) | Quote this article on your site | Views: 566
Write Comment
|
||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
| < Prev | Next > |
|---|








