| Jeans is the Best |
|
|
|
জিন্স ইজ
দ্য বেস্ট
তারুণ্যের প্রীতিক কী? এই প্রশ্নটা যদি
ফ্যাশনের হ্মেত্রে করা হয় তাহলে নিঃসন্দেহে যে নামটি চলে আসবে সেটি হচ্ছে জিন্স।
বিশেষত জিন্সের। প্যান্ট ফ্যাশনেবল পোশাক হিসেবে তরুণ-তরুণীদের কাছে সবচেয়ে প্রিয়।শুধু
যে তরুণ-তরুণীদের কাছেই প্রিয় তা কিন্তু নয়; যুবম, মধ্যবয়সী
অনেকের কাছেই এটি প্রিয় পোশাক। যাদের পোশাক। আমাদের কথাসাহিত্যিক সৈয়দ শামসুল হক
বা ইমদাদুল হক মিলনের কথাই ধরুন না ক্যাজুয়াল পোশাক
হিসেবে অহরহ তাদেরকে জিন্সের প্যান্ট-শার্ট পরতে দেখি আমরা। আর যারা ব্যান্ডের গান
করেন তাদের কথাই ধরুন না। জেমস, আইয়ুব বাচ্চু থেকে
একালের আন্ডারগ্রাউন্ড ব্যান্ড শিল্পীদের
প্রত্যেকেরই প্রিয় পোশাকের তালিকায় জিন্স রয়েছে।
কিন্তুজিন্সের এত জনপ্রিয়তার কারণ কী?
সহজ কথায় বলতে গেলে ক্যাজুয়াল পোশাক হিসেবে নিজের ফ্যাশনকেও ধরে রাখবে এমন পোশাক
বললে জিন্সেই সেরা। তার ওপর আরামদায়ক-পোশাক শীত, গ্রীস্ম,
বর্ষা যেকোনো ঋতুতেই জিন্সের প্যান্ট পরা যায় নির্দ্বিধায়। কলেজ বা ভার্সিটি পড়ুয়া
ছেলে বা মেয়েটি একটি জিন্স প্যান্টের সাথে অনায়াসেই একটি ট-শার্ট, শার্ট বা ফতুয়া
পরে যেমনি তার ক্লাস করতে পারেন তেমনি একজন
চাকরিজীবী পুরুষ জিন্সের সাথে শার্ট বা মহিলা জিন্সের
সাথে সুন্দর একটি ফতুয়া
জিন্স ইজ
দ্য বেস্ট
‘ফ্যাশনেবল
জিন্সের প্যান্ট পরি’
তিশমা
জিন্সের প্যান্ট বেশি পরা হয়। ফ্যাশনেবল
জিন্সের প্যান্ট পরতেই বেশি ভালো লাগে। জিন্সের প্যান্ট পরার অনেক সুবিধা
আছে। পরতে আরামদায়ক, প্লাস সব ঋতুতেই পরা যায়।
পরে অফিস করতে পারেন স্বচ্ছন্দে। কোথাও
বেড়াতে যাওয়া, ছোটখাটো পার্টি বা কনসার্টেও ক্যাজুয়াল পোশাক হিসেবে জিন্স অনন্য।
আসলে ক্যাজুয়াল এবং ফরমাল দু’ধরনেরই পোশাক হিসেবে জিন্সের প্যান্ট,
শার্ট আমাদের দেশে প্রতিষ্ঠিত। তবে মাঝখানে জিন্সের ব্যবহারে
কিছুটা ভাটা পড়েছিল। জিন্সের পরবর্তে ফরমাল প্যান্টই
তরুণ-তরুণীদের মনোযোগ ছিল বেশি। কিন্তু
কয়েক বছর ধরেই জিন্সের প্যান্ট, শার্ট আবারো ফিরে এসেছে ফ্যাশনে। অবশ্য এর বিশেষ
কারণও রয়েছে। জিন্সের প্যান্টর কাপড়, শেইপ, ধরনেও একটা পরবর্তন
এসেছে। ডাই করা স্ট্রেইট জিন্স এখন সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়।
জিন্সের প্যান্ট, শার্ট বা স্কার্ট যে
কাপড় দিয়ে তৈরি করা হয় তাকে ডেনিম বলা হয়ে থাকে। ১৯৫০ সাল থেকে জিন্সের নানা পোশাক
বিশেষত প্যান্ট তরুণদের মাঝে জনপ্রিয় হতে শুরু করে। তবে জিন্সের ব্যবহার তারও অনেক
আগে থেকেই হয়ে আসছে। ১৬০০ শতাব্দীতে ভারত থেকে দনগারি নামের একধরনের কাপড় রপ্তানি
করা হতো যা দেখতে এখনকার ডেনিম কাপড়ের মতো ছিল। তবে দনগারি কাপড়ের ব্যবহার তখন
ভিন্ন ছিল নাবিকেরা তাদের নৌকা এবং জাহাজের পাল হিসেবে এই
কাপড় ব্যবহার করত। তবে সত্যিকার অর্থে ডেনিম কাপড়ের
প্রস্তুত শুরু হয় ইটালির টুরিন শহরের চিয়েরিতে। এটা ১৪০০ শতাব্দীর কথা। জেনোয়ার
উপকূলীয় অঞ্চলে এই কাপড় বিক্রি করা হতো। জোনোয়েস নেভি তাদের পরনের প্যান্টের কাপড়
হিসেবে তখন ডেনিম ব্যবহার শুরু করে। জিন্সের নাম এখান থেকেই এসেছে বলে অনেকের
ধারণা। ব্লু ডি জেনসি, আই ই ব্লু অব জেওনা থেকে জিন্স নামটির জন্ম। ১৮৫০ সালে লেভি
স্ট্রাউস এবং জ্যাকব ডেভিস সামনে পকেট দেয়া এবং রিভিট ব্যবহার করা জিন্স প্যান্টের
বাজারজাত করে। এটি পরবর্তীতে Levi’s
নামের বিখ্যাত জিন্স প্যান্টের ব্র্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের
সময় জিন্সের প্যান্ট বেশি বেশি ব্যবহার করত। ওই সময়ে ছেলেদের জিন্স প্যান্টের
জিপার সামনের দিকে থাকলেও মেয়েদের জিন্স প্যান্টের জিপার থাকত ডান পাশে। পঞ্চাশের
দশক থেকে উঠতি তরুণ-তরুণীদের মাঝে জিন্স ব্যাপক
জনপ্রিয় হতে শুরু করে। কিন্তু এটা সমাজের রহ্মণশীল অনেকের চোখেই ভালো লাগেনি তাই
সেই সময় আমেরিকা বা ইউরোপের অনেক থিয়েটার বা রেস্টুরেন্টেই জিন্সের প্যান্ট পরে
ঢোকা নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছিল। ষাট এবং সওরের দশকে সেই জিন্সের প্যান্ট এবং
অন্যান্য পণ্য সবচেয়ে ফ্যাশনেবল পোশাক হিসেবে প্রতিষ্ঠা পায়। GWG, Entrepreneur,
importen and noted eccentric, Donald freeland of Edmonton, Alberta প্রভূতি
কোম্পানিগুলো ডেনিম কাপড় দিয়ে নানা পণ্য প্রস্তুত করে জিন্সের বাজারকে বিস্তৃত
করে। সববয়সী সব পেশার মানুষদের কাছে জিন্সের প্যান্ট-শার্ট
জনপ্রিয় হয়। জিন্স সারা বিশ্বে জনপ্রিয়তা পেলেও এখন কিছু কিছু দেশে জিন্সের পণ্য
বিশেষ করে প্যান্টকে খাটো করে দেখা হয়। যেমন স্পেনে জিন্সের প্যান্ট Vaqueros
নামে পরিচিত যার অর্থ রাখাল ছেলেদের পোশাক। একই অবস্থা চায়নাতেও। সেখানে জিন্সের
প্যান্টকে বলা হয় Nivzaiku যার অর্থ রাখাল ছেলেদের প্যান্ট। তাই বলে জিন্স
প্যান্ট বা জিন্সের অন্যান্য পণ্যের ব্যবহার কিন্তু একেবারেই কমে যায়নি বরং
বেড়েছে। সময়ের সাথে সাথে জিন্সের প্যান্টের স্টাইলে পরবর্তন এসেছে। নানা স্টাইলের
জিন্স প্যান্টের মধ্যে Ankle jeans, Original jeans, Overall, Relaxed Fit, Saggy,
Slinkies ইত্যাদি অন্যতম। জিন্সের প্যান্টের খ্যাতনামা
ব্র্যান্ড হিসেবে Levi’s,
Jordache, Wrangler এই তিনটি নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। গত
কয়েক বছরে Jordache
আরো কিছু ফ্যাশনেবল জিন্স ব্র্যান্ডের জন্ম দিয়েছে তার মধ্যে Sergio valente,
Sassoon, Gloria Vanderbilt,
‘সব
সময় জিন্সের প্যান্টই পরি’
নীরব
আমি সব সময় জিন্সের প্যান্ট পরি ।
জিন্সের প্যান্টের সাথে শার্ট ,টি-শার্ট সব কিছুই মানিয়ে যায় যেটা ফরমাল প্যান্টে
সম্ভব নয়। খুব ফিটিং বা খুব ঢিলেঢালা জিন্স পরি না,
মাঝামাঝি কিছু একটা পরি। হালকা ফেড জিন্সও ভালো
লাগে।
Chic,
Calvin Klein, Bonjour, Guess, Dittos, Joujou উল্লেখযোগ্য
ব্র্যান্ড। ২০০০ সাল থেকে ফ্যাশন জিন্স তৈরিতে বিশ্ব বাজারেও একটা জোয়ার এসেছে।
নতুন নতুন আরো অনেক ব্র্যান্ড জনপ্রিয় হয়েছে ইতোমধ্যে। AG jeans, Antik
denim, Buffalo, Citizens of humanity, Chip and pepper, Diesel, Dorinha Jeans
wear ,Earnest sewn,Energie Evisu G star , Goldsign , Hudson ,Habitual , J brand
, J and company , Jeans , Kssubi , Lucky brand Jeans , Miss sixty,Nudie, jeans
, paige preminum denim , Paper denim and cloth people for place ,Reply Rock and
republic , seven for all mankind ,TAG ,true religion Yanukএগুলোর
মধ্যে অন্যতম । পাশ্চাত্যে মেয়েদের জিন্সের পোশাক হিসেবে স্কার্ট জনপ্রিয় এবং এটি
বেশ ফাশানেবল । স্কার্ট শর্ট এবং লং দুটোই আছে ।
বাইরে শর্ট স্কার্টের জনপ্রিয়তা থাকলেও আমাদের এখানে লং স্কাটই পরতে
দেখা যায় এবং খুব কম মেয়েই জিন্সের স্কার্ট পরে। তবে ছেলেদের কাছে জিন্সের
প্যান্টের জুড়ি নেই।
শীতের উওর বায়ু ইতোমধ্যেই বইতে শুরু
করেছে সারা দেশে। জিন্সের পাশাপাশি শার্ট বা জ্যাকেটের ব্যবহারও
চোখে পড়বে কিছুদিনের মধ্যে। মার্কেটগুলোতে জিন্সের পণ্যের পসরা দোকানিরা সাজিয়েছেন
ইতোমধ্যেই। শীতের সময়ে ফ্যাশন আর শীত থেকে বাঁচার উপায় দুপায় দু’কাজের
জিন্সের কদর ভারি এখন। তাই এখন জিন্স ইজ দ্য বেস্ট! Add as favourites (55) | Quote this article on your site | Views: 388
Write Comment
|
||||||
| < Prev | Next > |
|---|





