Login






Lost Password?
No account yet? Register

Sponsors Link Left

Random Image

mimi3

mimi3

Date: 04/11/07 Views: 61 Owner: BdShowBiz

Jaya Print E-mail
(0 votes)

স্বপ্নের পথ ধরে

স্বপ্নের পথ ধরে

নাটকের চরিত্রের নদীতে ডুব দিয়ে জয়া সেই চরিত্রকে অন্তরে পোষেন। আর এ কারনেই তার অভিনয় দর্শক মনে প্রভাব ফেলে। তার অভিনয় দেখে দর্শকরা কখনো কাদেন আবার কখনো হাসেন। এনেছি সুর্যের হাসি নাটকের জয়া অভিনয় দেখে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্জলের এক নারী জয়ার নাটকের চরিত্র আয়শা নামে তার সন্তানের নাম রেখেছিলেন। বিষয়টি জয়াকে বেশ আনন্দ দিয়েছিল । তার কথায় আমি মনে করি একজন শিল্পীর সবসময় সামাজিকভাবে দায়বদ্ধ। আমি মনে প্রানে এ কথাই বিশ্বাস করি। আর এ বিশ্বাসের বহিপ্রকাশ ঘটাতে আমি প্রতিনিয়ত এমন চরিত্র খুজে বেড়াই যে চরিত্রের মাধ্যমে শিল্পীদের উপর থেকে কিছুটা হলেও মুক্তি দেয়া সম্ভব। এনেছি সুর্যের হাসি ধারাবাহিকে আয়শা চরিত্রের মাধ্যমে আমি কিছুটা হলেও সামাজিক দায় থেকে নিজেকে মুগ্ধ করতে পেরেছি। ওই সময় দেশের বেশির ভাগ মানুষ আমার নাম জয়া আহসান নাম ভুলে আয়শা আক্তার ভাবতে শুরু করেছিল। অনেকেই ভুলেই গিয়েছিল আমি একজন অভিনেত্রী। গ্রামে গেলে সবাই ডাক্তার আপা বলে ছুটে আসতেন সারা জীবন নাটক করেই আমি দশকের এত কাছাকাছি আসতে পারিনি। এনেছি সুর্যের হাসি নাটকের মাধ্যমে যতটা পেরেছি এটা আমার প্রাপ্তি। খুব সম্ভাবত এদেশে আগে কখনো কোন অভিনেত্রীকে এভাবে ব্রান্ড আম্বাসেডর করা হয়নি। এদিক থেকে আমি ভাগ্যবতি। এ কার্যক্রম অংশ হিসেবে আমাকে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্জলে যেতে হয়েছে। সাধারন মানুষকে স্বাস্থ্য সম্পকে সচেতন করতে হয়েছে। ওই সময় আমি একটি ক্লিনিকে গিয়ে দেখি একজন মহিলার সন্তান হয়েছে । তিনি সন্তানের নাম রেখেছেন আয়শা ঘটনাটি আমাকে দারুন আলোড়িত করেছিল ।

 

চরিত্রের নানা ভাজ

এনেছি সুর্যের হাসির মতো আরো বেশকিছু নাটকে অসাধারন অভিনয়শৈলী প্রদশন করে জয়া অভিনেত্রী হিসেবে নিজেকে দাড় করছেন স্বনচুড়ায় তিনি ভিন্ন ভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করে- ভেঙ্গেছেন কখনো সংসয়ের সংশয়াচ্ছন্ন তন্দ্রা আফবিটের বোবা মেয়ে, তেরভাগা শহর বানু, মেঘরং মেয়ের রহস্যময়ী কন্যা, মনে মনের মানসিকভাবে বিপর্যস্ত বিভা টের পায় তার চারপাশে সবাই সুখ- অসুখের ভাবনা কথা, কফি হাউজের সুজাতা জীবনকে  উপভোগ করে নিজের চাওয়ার মত করে । শঙ্খবাসের পুষ্প জীবনের পোড় খাওয়া একটি মেয়ে ভালোবাসার মানুষকে নিয়ে ঘর বাধে। কিন্তু নিয়তির কড়া গ্রাসে তার সেই ঘর হয়ে যায় তাসের ঘর। সবশেষে টুলেট নাটকের ট্রেলার দেখেই জয়াকে তার ভক্ত দশকরা প্রচুর ফোন দিয়ে উৎসাহিত করেছে ভাল কাজের মাধ্যমে আরো সামনের দিকে এগিয়ে যেতে।

অনুশীলন পর্ব

প্রত্যেক শিল্পীর মতো জয়া আহসান ও তার অভিনীত চরিত্রের গভীরে প্রবেশের জন্য নিজেকে প্রস্তত করেন অনেক যত্ন নিয়ে। নাটকের প্রতিটি চরিত্রের সাথে মিশে যাওয়ার অনুশীলন পর্ব নিয়ে তিনি বলন স্ক্রিপ্ট হাতে পাওয়ার পর আমি সিরিয়াসলি চরিত্র বোঝার চেষ্টা করি। এজন্য স্ক্রিপ্ট কয়েকবার পড়ে নিই। তারপর আমার দেখা কোন ঘটনার সাথে মেলানোর চেষ্টা করি। এক পর্যায় নিজের মতো করে তৈ্রী করে নিই চরিত্রটি। আমি আমার অভিনীত প্রতিটি চরিত্রে শতভাগ মনোযোগ দিয়ে কাজ করি। কখনো এক সাথে একাধিক কাজ করিনা ।

রহস্যের চাদরে

মান সম্পন্ন কাজ সংখ্যায় কম হলেও একজন শিল্পীকে তা আলোকিত করে ভিন্ন মাত্রায়। জয়া আহসানই তার উজ্জল প্রমান। আপনি কাজ কম করেন কিন্তু আপনার জনপ্রিয়তা বেশি। এর গোপন রহস্য কি? প্রশ্নটা তার কানে বাজতেই জয়া একটু রহস্যের চাদরে নিজেকে জড়িয়ে নিয়ে বললেন আমি বেছে বেছে কাজ করি বলে আমার কাজ দশকরা পছন্দ করেন। আমি অনেক জনপ্রিয় এটা আমি মানতে রাজি না । আর জনপ্রিয়তার ব্যাপারটি আমাকে কখনোই টানেনি। আমি কাজ করি আত্বার তৃপ্তির জন্য। তবে মানুষ যখন প্রশংসা করেন তখন ভালোলাগে। আর মানুষের ভালোবাসাটা পাওয়া বিরাট ব্যাপার। আর দশজন মানুষের চেয়ে জনপ্রিয় একজন শিল্পীর কথা সহজেই মানুষ বিশ্বাস করে। আমরা শিল্পীরা মাদক বিরোধী,স্বাস্থ বিষয়ক, বিভিন্ন সমাজ সচেতনতা মুলক কাযে অংশ নিই।

অভিযোগের কাঠগড়ায়

নাটক ও বিজ্ঞাপনে কাজ করে জয়া আহসান যে শুধু দশকের মন জয় করেছেন তা নয়। তার কোনো দশক প্রত্যাশা পুরনে সফল না হলে তাদের সমালোচনার তীর ও সহ্য করতে হয়েছে জয়া আহসানকে, বর্তমানে বিভিন্ন চ্যানেলে প্রচারিত হওয়া ফ্রেশ চিনির বিজ্ঞাপনে জয়ার উপস্থিতি দশকপ্রিয়তা পায়নি। দশকদের অভিযোগ একাজটি না করলেও পারতেন জয়া। আর দশকদের সেই অভিযোগের কাঠগড়াই দাঁড়িয়ে জয়া আহসান জবান বন্দি দিলেন এভাবে সব সময় মধু খেতে ভালো লাগে না । দশকের প্রশংসার পাশাপাশি সমালোচনা ও সহ্য করতে হয়। কেউ আমার কাজের সমালোচনা করলে আমি বরং খুশি হয়। ফ্রেশ চিনির বিজ্ঞাপনের কথা আমি যখন শুনলাম তখন কনসেন্টটা খুবই ভাল লেগেছিলো। সত্যি বলতে কি কাজের আগে আমাদের অনেক স্বপ্ন থাকে। অনেক সময় দেখা যায় আমরা সেই স্বপ্নের কাছেও যেতে পারিনা । মেকিংয়ের কারনে হয়তো বিজ্ঞাপনটি আশানুরুপ হতে পারিনি। তাছাড়া আমি বিজ্ঞাপনে কমফরটেবল না ।

প্রসঙ্গ চলচ্চিত্র

ব্যচেলর ছবিতে জয়ার সামান্য সময়ের উপস্থিতি দশকদের আলোড়িত করেছিল ব্যাপক ভাবে। তারপর আর অন্য কোন ছবিতে তাকে দেখা যায়নি তাকে। এর কারন জানতে চাইলে জয়া বললেন চলচ্চিত্রের কাজের প্রতি আমার বরাবই আগ্রহ। ব্যাচেলর এর করার পর অনেক ছবির অফার পেয়েছি চলচ্চিত্রের কাজের। ওই সব ছবির গল্প ও চরিত্র শুনে আমার মনে হয়েছে আমি আরো ভাল কিছু করতে চাই। আর সেই ভাল কাজের স্বপ্নই এখন আমার দুচোখে। যখন স্বপ্নের সঙ্গে বাস্তবতার মেলবন্ধন ঘটবে তখনই আবার এ মাধ্যমে কাজ করব। অভিনয়ে জয়া আহসানের ক্যারিয়ার অনেক দিনের । তার পরের প্রজন্মের কেউ কেউ নিমানে নিজেদের জড়িয়েছেন । পরিচালনা নিয়ে জয়া আহসানের ভাবনা কেমন? আমি এখনো নিজেকে পরিচালনার জন্য তৈরী করিনি। আর আমি কোন কাজের উপযুক্ত না হয়ে সেই কাজে নামতে চাই না । এখন আমি অভিনয়েই স্বাচ্ছ্যবোধ করছি।

সাংসারী মেয়ে

জয়া আহসানের আপদমস্তক একজন সংসারী মেয়ে । এ কারনেই তার দাম্পত্য জীবন বেশ সুখের । দারুন গোছানো সংসার সামলিয়ে যতটুকু সময় পান ওই সময়ই তিনি অভিনয় ব্যয় করেন ।তার স্বামী ফয়সালও শোবিজের তারকা মানুষ দুজনার বোঝাপড়াটা চমৎকার । জ়য়া বলেন আমি বেশ সুখেই আছি।

 

কান্ঠে তার আক্ষেপ

শোবিজ তারকাদের নিয়ে সাধারন মানুষ বিভিন্ন রকম মন্তব্য করেন। এমন প্রসঙ্গ নিয়ে জয়া আহসান বলেন, আমাদের মিডিয়ার মানুষের নিয়ে সাধারন মানুষের একরকম ভীতি আছে। কথিত কিছু মডেল অভিনয় শিল্পীর কারনেরি আমাদের বিভিন্ন নেতিবাচকের মুখোমুখি হতে হয়। একটি বিজ্ঞাপনের কাজ করলে যেমন কেউ মডেল হয়ে যায় না তেমনি তেমন আবার একটি নাটকে অভিনয় করলে অভিনেত্রী হয়ে যায় না ।

যারা একটি বিজ্ঞাপন বা অভিনয় করে অভিনেত্রী বা মডেল পরিচয়কে ব্যবহার করে বিভিন্ন অসামাজিক কার্যালাপ করে বেড়ান, তাদের জানই আমাদেরও অনেকেই নেতিবাচক দৃষ্টিতে দেখেন। এই বিষয়টি ভাবলে মাঝে মাঝে কষ্ট লাগে।


Add as favourites (53) | Quote this article on your site | Views: 231

Be first to comment this article
RSS comments

Write Comment
  • Please keep the topic of messages relevant to the subject of the article.
  • Personal verbal attacks will be deleted.
  • Please don't use comments to plug your web site. Such material will be removed.
  • Just ensure to *Refresh* your browser for a new security code to be displayed prior to clicking on the 'Send' button.
  • Keep in mind that the above process only applies if you simply entered the wrong security code.
Name:
E-mail
Homepage
Title:
BBCode:Web AddressEmail AddressBold TextItalic TextUnderlined TextQuoteCodeOpen ListList ItemClose List
Comment:



Code:* Code
I wish to be contacted by email regarding additional comments

 
< Prev   Next >
About Us      Privacy Policy      Advertisement      Contact Us      Help with Bangla     
© 1997-2008 BangladeshShowBiz.com All Rights Reserved