| Jaket Jarni |
|
|
|
জাকেট জার্নি
আদ্যান্ত...
ফ্যাশন জগতের মানুষের সুখবর । ফ্যাশন
প্র্যাক্টিস করার সব চাইতে উপযুক্ত ঋতু অর্থ্যাৎ শীতকাল বলতে গেলে কড়া নাঢ়ছে দরজায়
। এখন তো ভোরের দিকে ঘুম ভেঙ্গে গেলে দেখা মেলে চারপাশের কুয়াশা চাদরের। এরই মধ্যে
হয়তো অনেকের বাসায় শুরু হয়ে গেছে শীতের পোশাক
বের করার ধুম । গ্রীষ্মের পাতলা কাপড় চোপড় প্যাটিরাবন্দী
করে সবাই প্রস্তুতি নিচ্ছে সোয়েটার । শাল , পুলোভার জাকেট ইত্যাদি শীত বস্ত্র
শীককে বরন করে নিতে । ক্যানভাস ঠিকই বুঝতে পারে পাঠকের পালস । এই জন্যই তো সময়
উপযোগী ফ্যাশন কনসালটন্সি নিয়ে হাজির হয়েছে সে ।
সবচেয়ে ট্রেডিং শীতবস্ত্রের আদ্যোপান্ত জানাচ্ছে সে শীতের ঠিক শুরুতেই । আর সেই
শীতবস্ত্রটি কি তা তো বুঝতেই পারছেন । হ্যাঁ ঠিকই ধরেছেন জ্যাকেট। জ্যাকেট আসলে
কোটের অপভ্রাংশ কোটের সেকেন্ড জেনারেশন । যার দৈর্ঘ সাধানত কোটের তুলনায় কম এবং
ফিট অপেক্ষা কৃত আটসাট কোটের বৈশিষ্ট বজায় রেখে কোটকে
ট্রেন্ডিং পরিমার্জনের ছোয়া দিয়ে যেটা করা হয়। সেটাই প্রকৃত পক্ষে জাকেট। বা কোট।
সাধানত জ্যাকেট তৈরীর প্রধান উপাদান হচ্ছে ডেনিম, ফ্লানেল , রেক্সিন, কর্ড, উল,
মোটা ক্যানভাস কাপড় অথবা চামড়া । কোন কোন জ্যাকেট হয়তো ট্রাডিশনাল কোটের মত
ব্রেস্টকভার থাকে তবে তা সংখ্যায় খুবই কম। জ্যাকেটের পরিবারের মধ্যে
সবচেয়ে সমাদৃত সদস্যদের নাম যদি বলতে হয় তো বলতে হবে ডেনিম জ্যাকেটের কথা । আজ
কর্মব্যস্ত দুনিয়ার মানূষ ক্রমশ টেন্ডিং পোশাক পরছে । সব দেশে জাতীয় পোশাক থাকার
সত্ত্বেও পোশাক-পরিচ্ছেদ পৃথিবী জুড়েই একই ধরনের
আন্তজার্তিক ও সর্বজনীয়তা এসেছে । এই সর্বজনীয়ন পরিচয় বহন করছে সে সব পোশাক ,
জ্যাকেট তাদের অন্যতম । আর যারা পোশাক আসাকে ট্রেন্ডকে একটু বেশি গুরুত্ব দিয়ে
থাকেন তাদের জন্য শীতবস্ত্র হিসেবে জ্যাকেট বলার অপেক্ষা রাখে না সবচেয়ে উপযোগী।
ইতিহাস
বিচারে জ্যাকেট মূলত দ্বাদশ শতাব্দাতীর শেষের দিককার কথা । এসময় ইউরোপের লোকেরা কোটের
ঝুল কমিয়ে খাটো এক ধরনের শার্টের প্রচলন করে কলান্তরে তাই আধুনিক রুপ নিয়ে হয়ে যায়
জ্যাকেট । কোটের প্রতিরুপ হিসেবে জ্যাকেটকে বিবেচনা করা হলেও জ্যাকেটের ব্যবহার
কিন্তু শুরু হয় বেশ আগে থেকেই ।
আমেরিকানদের মধ্যে জ্যাকাটের প্রচলন
শুরু হয় পঞ্চদশ শতাব্দী থেকে । ওয়েস্টকোটের ওপরে কোটসদৃশ যে পরিধেয় চাপানো হতো তা
এখন দামী সুট বলে ভুল হলেও আসলে তা হচ্ছে এক ধরনের জ্যাকেট অবশ্য এখনকার জ্যাকেট
ট্রেড বিচারে আমেরিকানরাই জ্যাকেটের সবচেয়ে বেশী ব্যবহার
কারী দেশ। জ্যাকেট পোষাকটি মোটামুটি জনপ্রিয়তার শীর্ষে চলে আসে এল্ভিস প্রিসলি বা
রজার মুরের মতো খ্যাতিমান তারকারদের বদৌলতে জ্যাকেট পরে তারা আসতে শুরু করেন
বিভিন্ন অনুষ্ঠানে । চোখ পড়ে মিডিয়ায় । বলায় বাহুল্য তার কখন কী পোশাক পরছে সেটা
নিয়ে সাংবাদিকরাই বেশ ঘটা করলেই কলাম লিখে ফেলেন। ব্যাস পোশাকের জনপ্রিয়তার জন্য
এই ব্যাপার গুলো বেশ ভাল ফ্যক্টর
হিসেবে কাহ করে । আমাদের উপমহাদেশে জ্যাকেট যখন
প্রথম আসে তখন একে মোটেই সুদৃষ্টিতে দেখা হয়নি এক সময় চলচ্চিত্রের প্রভাবের ফলে
জ্যাকেট ছিল বখাটে তরুনদের ফ্যাশন । তবে এ ধারনা এখন অনেকটা পালটে গেছে।
জ্যাকেটের বর্তমান ট্রেন্ডে রয়েছে শর্ট
লেন্থ এবং তাতে আগের দিনের তুলনায় থাকছে অনেক বেশি টেকনিক্যাল এক্সেসরিজের উপস্থিতি।
স্লিভ , ভেস্ট কভার, ফ্ল্যাপ এবং ব্যাকশিল্ডে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বা বিচিত্র
ডিজাইনের স্টিকার এখনকার জ্যাকেটগুলো বিশেষ বৈশিষ্ট ।
তাছাড়া দুই ধরনের ফেব্রিকের ব্যবহার আর বেশিসংখ্যক জিপার আর বেল্টের উপ্সথিতি
এখানকার জ্যাকেটগুলোতে উল্লেখ করার মত বিষয়। তবে ফেব্রিক বা স্টাইল্গত কারনে
জ্যাকেটের প্রকার ভেদ রয়েছে ব্যপক ভিন্নতা । এর মধ্যে আমাদের পরিচিতের ক্যাটাগরিতে
রয়েছে একটু বেশি। এই যেমন - এইসেনহাওয়ার জ্যাকেট, হারিংটন জ্যাকেট, রকার জ্যাকেট
ইত্যাদি । মজার ব্যাপার হচ্ছে এই জ্যাকেটের অর্ধেকের চেয়ে বেশি স্টাইল তৈরি হয়েছে
ইউরোপ আর আমেরিকায় এর ব্যবহারের কথা লক্ষ্য রেখে । চামড়ার তৈরি রকার জ্যাকেটের
ডিজাইন হয়েছিল পঞ্চাশ এবং ষাটের দশকের বাইকার এবং পাঙ্কদের জন্য আবার তিরিশের
দশকের পলিয়েস্টার দিয়ে তৈরি হয় হ্যারিংটন
জ্যাকেট মধ্যেবিত্তদের কথা মাথায় রেখে । জ্যকেট গোষ্টীর আরেকটি লাইট ওয়েট সদস্য
হচ্ছে উইন্ডব্রেকার বা উইন্ডচেষ্টার। উইনচেষ্টার তৈরি হয় সিনথেটিক ফ্রেবরিক দিয়ে
এবং এর হাতায় থাকে ইলাস্টিক রিস্টব্যান্ড আমাদের
তরুনদের কাছে গেল বছর পর্যন্ত ট্রেন্ড ছিল রেসিং জ্যাকেট। রেসিং জ্যাকেট সাধানত
ফরমুলা ওয়ান এবং মোটরসাইকেল রেসগুলোতে প্রতিযোগীরা যেসব বিজ্ঞাপন
সংবলিত জ্যাকেট পরে থাকে তারই একটা সর্বসাধারন উপযোগী রুপের নামই হচ্ছে রেসিং
জ্যাকেট । রেসিং জ্যাকেট সাধানত রেক্সিন বা
আটিফিসিয়াল লেদারের তৈরি হয় আর বিশেষ বৈশিষ্ট হিসেবে থাকে এর ব্যান্ড কলার আর
বিভিন্না নামীদামি বিজ্ঞাপনের স্টিকার । এছাড়া বিভিন্ন ইউটিলিটি জ্যাকেট তো আছেই ।
ম্যাটেরিয়াল আর প্রকারান্তর যাই হোক
শীতের স্টাইলিস্ট পোশাক হিসেবে জ্যাকেট সব সময়
পপুলারিটি লিস্টে শীষে ছিল এবং থাকবে । তবে বিবতর্ন ও হতেথাকবে তার নিজস্ব গতিতে
নতুন নতুন রুপে জ্যাকেটের প্রকাশ ঘটানোর জন্য।
স্টাইলের
রকমফের
ফ্যাশন আবর্তিত হয় আডাপটেশন বা অভিযোজন
প্রক্রিয়ায় । এজন্যই পোশাক একটি অভিযোজিত বস্তু । আগে যা ছিল কোট
আজ তা স্যুট। জ্যাকেটের কোটের চুড়ান্ত ক্যাজুয়াল ভার্সন বললে মনে হয় ভুল হবে না ।
স্টাইলিশদের জন্য জ্যাকেট সব সময় হট ফেভারিট। শীর এলেই জ্যাকেট প্রেমীদের ফ্যাশন
চর্চা কিঞ্চিৎ বেড়ে যায় । কেননা জ্যাকেট সর্বকালের সর্বজনীন পোশাক । বয়স পেশা ও
অবস্থান ভেদে স্টাইল , ডিজাইন বা রঙ্গের পরিবর্তন ঘটে মাত্র । শীতপ্রধান দেশে
স্বাভাবিকভাবেই তাপসঞ্চার করে
এবং অপেক্ষাকৃত দ্রুত সময়ে শুকানো যায়
এমন কাপড়ই পছন্দনীয় হবে । কেউ বোম্বার জ্যাকেট পরতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ নাও করতে
পারেন । আবার কোন তরুন তরুনী বাইকরাইডিংয়ে ক্লাসিক কোন জ্যাকেট
ন পরাটাই স্বাভাবিক । এ তো গেল স্টাইলের তারতম্য । কাপড় পছন্দের বেলায়ও এমন রকমের
ঘটা স্বাভাবিক । সাধারন জ্যাকেট তৈরীতে
টুইল সোয়েড পোলার ফিউচ , ব্লেডের উল, পলিয়েস্টের, নাইলন অক্সফোর্ড,
কেমোফ্লানা, মেটালিক , ফার, লেদারো ডেনিম ফ্রেবিক্সের ব্যবহার বহুল। জ্যাকেটের একটা
বিষয় দারুন মজার - কিছু জ্যকেট কাপড়ের নামেই পরিচিতি আবার কিছু রয়েছে যা ভিন্ন
কাপড়ের কিন্তু পরিচিতি অভিন্ন নামে যেমন - বোম্বার জ্যাকেট ডেনিমে হয় আবার লেদারের
হয় । অথচ বেসিক ও ক্লাসিক লেদার জ্যাকেট ও ডেনিমে জ্যাকেট আলাদা বৈশিষ্টর অধিকারী
। ফেব্রিক্স অনূযায়ী জ্যাকেটের প্যাটানব স্টাইল
নির্ধারন করা বুদ্ধিমানের কাজ হবে। স্টাইল ভেদে স্টাইল নিবার্চন করা , ডেনিম বা
টুইল কাপড়ে একাধিক সিম , প্যানেল, পকেট, বা
জিপার সংযোজন করলে আউটলুক খারাপ হবে না । কিন্তু ফ্লিচ বা পলিয়েস্টার কাপড়ে তা
হয়তো খুব মানান সই নাও হতে পারে । অন্যদিকে ফ্লিচ বা পলিয়স্টার
কাপড়ে জ্যাকেটের লাইলিং দিলে জ্যাকেটের পরিপূনতা আসে । কিন্তু ডেনিম ও টুইল কাপড়ের
জ্যাকেটের লাইলিং না দিলেও চলে । জ্যাকেটের স্টাইলিং ক্ষেত্রে ছেলে ও মেয়েদের
মধ্যে তেমন একটা পার্থক্য হয় না । শুধু শিলুয়েটেরর
পার্থক্য থাকে । পকেট , কলারো অনামেন্টেশনে ফেমিনিন
লুকটা রাখলেই চলে । আনুষঙ্গিক কিছু বিষয় বিবেচনা
রাখতে হবে যেমন ইন্টারফেসিং - বিশেষ করে ওপেনিং এজগুলোতে বাটনযুক্ত জ্যাকেট
হলে অব্যশই তা মাথায় রাখতে হবে । আবার অপেনিং জিপার ব্যবহার করে ইন্টারফেসিং
না হলেও চলে । কেবল কাপড় অনুযায়ী জিপারের ধরন ও কোয়ালিটি নিধারন
করতে হবে । জ্যাকাটের স্টাইল ও প্যাটানে জিপারের ব্যবহার ডিমান্ড করলে স্টাইল ও
কাপড়ের ধরন বিবেচনা করতে হয় । টিথ সংবলিত জিপার কয়েলের তুলনায় ভাল । জিপারের
দৈর্ঘ্য জ্যাকেটের হিপ লেবেলের নিচ পর্যন্ত এলে টুওয়ে জিপার ব্যবহার করতে হবে ।
এতে দুটি ট্যাব থাকে । ফলে জ্যাকেটের বটম পর্যন্ত জিপারকে আনজিপ করা যায় । তাতে
প্রয়োজন অনুসারে এর সুবিধা নেওয়া যায় । নইলে বসার
সময় কিংবা বিভিন্ন মুভমেন্টে জিপারের কারনে অস্বস্থি লাগতে পারে । আরেকটি
বিষয় হচ্ছে গামেন্ট ফিনিস করার আগেই জিপার লাগাতে হবে
। তবে জ্যাকেটের বোতাম লাগানোর প্ল্যান থাকলে তা ফিনিশড গামেন্টেসে করা যাবে ।
এক্ষেত্রে বাটনের কোয়ালিটি হোলের সংখ্যা
আটাচিং থ্রেড ইত্যাদি থাকা প্রয়োজন ।
আরেকটি গুরুত্বপূন বিষয় উল্লেখ না করলেই
নয় । তা হচ্ছে কাপড়ের প্রি-ট্রিটমেন্ট। জ্যাকেটের তৈরীর আগে কাপড়ের
ট্রিটমেন্ট। যেমন , কটন , জাতীয় কাপড়ের গামেন্ট তৈরীর আগে কাপড় খাপে কিনা তার জন্য
শ্রিঙ্কেজ টেস্ট করে নিতে হবে । একইভাবেই কাপড়ের চরিত্র
অনূযায়ী সেলায় করার নিডল সামঞ্জস্য হতে হবে । মাইক্রোফাইবার ফেব্রিক্সের জন্য
সুক্ষ্ম নিডল হলেও সমস্যা নেই কিন্তু মোটা কাপড় যেমন -ডেনিম ,ফ্লিচ কিংবা লেদার
জাতীয় মেটেরিয়ালের জন্য নিডলের টাইপ ও সাইজের পার্থক্য থাকে ।
এবার আসি নিদিষ্ট কিছু জ্যাকেটের
বৃত্তান্তে। হালের তরুন - তরুনীদের ফ্যাশানে পছন্দের কাপড় নিয়ে প্রশ্ন করা হলে
উত্তর মিলবে ডেনিম , ডেনিমকে আধুনিক ফ্যাশানের
ভাসাইল ফ্রেবিক্স বলা হয় । ডেনিম জ্যাকেটের ভ্যারিয়েশন অনেক । ক্লাসিক , হিপ লেন্থ
, বোম্বার কিংবা বাইকার জ্যাকেট- সব ক্ষেত্রেই
ডেনিমের জয়জয়কার। ডেনিমের মেনস জ্যাকেটে যেমন থাকে এম্পারলাইন তেমনি উইমেন্স
জ্যাকেটের যেমন থাকে প্রিন্সেস লাইন বাকি সব এক ।
ডেনিমের জ্যাকেটের ক্ষেত্রে একটা কথা বলে রাখা ভাল যত বেশি সিম করা ওয়াশের পরে তত
বেশি ওয়াশ ইফেক্ট পাওয়া যাবে । তার মানে এই নয় যে
অসামঞ্জস্যভাবে সিম করলেই হবে । ডেনিমে জ্যাকেটের বেশির ভাগ সিম জয়েনিংয়ে ফিট অব
দ্য আর্ম মেশিনে সেলাই করা হয়। এতে সিম জয়েনিং সুন্দর
হয় এবং ওয়াশের পর বিশেষ ইফেক্ট মেলে । যেমন বাইকার জ্যাকেট
জ্যাকেট করতে হলে স্লিভের সিম করে পকেট , জিপার চেষ্টে ভেন্ট, উইন্ড ,ফ্ল্যাপ, সিল
ইত্যাদির কারনে সিমের পরিমান বেড়ে যায়। ইদানীং ডেনিম জ্যাকেটের বিভিন্না স্টাইলের
রাখা হয় আবার ফিনিশড জ্যাকেটের বিভিন্ন স্থানে
গ্রাইন্ডিং করে ছেড়া ভাব আনা হয়। তবে ডেনিম জ্যাকেটের শোভাবর্ধনে
সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখে বিভিন্ন রকমের
ইফেক্ট । এর মধ্য সবচেয়ে বেশি করা হয় এনজাইম ওয়াশ । এটাকে মুলত পরিবেশবান্ধব স্টোন
বল হয় । এতে কোন পমিক স্টোন ব্যবহার হয় না । এনজাইম ওয়াশ করে চাহিদা
মত রং মিলে গেলে সফটানিং ও রিনজিং সাইকেলের মাধ্যমে ফিনিস করা হয় । ওভার ডাই ডেনিম
ওয়াশের আরেকটি মাধ্যম । বেসিক কালারের মধ্যে ভিন্ন কোন টেনে আনতে ওডার
ডেনিম ওয়াশের আরেকটি মাধ্যম বেসিক কালারের মধ্য ভিন্ন কোন টোন আনতে ওডারডাই করা হয়
। বিশেষ করে জ্যাকাটের শোল্ডারে ,চেষ্ট,ব্যাক ইয়াকে এ ধরনের
ইফেক্ট এখন খুবই জনপ্রিয় । অনেক সময় আমরা
দেখি জ্যাকেটের চেস্ট ব্লেড বরাবর বিড়ালের আচড়ের মতদাগ। ওয়াশিং টামে একে
বলে হুইসকারিং বা ক্যাট হুইসকার। এটা লেজারের মাধ্যমে করা হয়। এটা আবার ম্যানুয়ালি
ক্রিজ লাইন করেও করা করা যেতে পারে। সানরাজিং
ডেনিম কাপড়ের শ্রঙ্কেজ সমস্যা সমাধানে যুগান্তকারী ভুমিকা রাখছে । কারন
স্যানফোরাইজিংয়ের পর ডিনিমের খাপার পরিমান অনেক কম ।
স্টাইলিশদের
জন্য লেদার জ্যাকেট খুবই জনপ্রিয় । আর আপনি যদি হন একটু স্পোটি
ধরনের
তা হলে তো কথায় নেই । এছাড়া লেদারের কিছু গুন যেমন -
এর হট, লুক ,
স্থায়িত্ব,
আরাম, রং ও টেক্সটার অতি সহজে তরুন তরুনীদের আকৃষ্ট করে ড্যানিং এই
ডাশিং
এই জ্যাকেট তৈরীতে বিভিন্ন রকম চামড়া ব্যবহার হয়। ছাদকের এবং পগ
সোয়েড
লেদার উল্লেখযোগ্য । লেদার জ্যাকটের জনপ্রিয় রং গুলো হচ্ছে চকোলেট ব্রাউন
,
ট্যান -এর ডার্ক ও লাইট শেড অলিভ গ্রীন ,লাল
নীল আর ক্লাসিক সাদা ও কালোতো
রয়েছে
। লেদার জ্যাকেটের জনপ্রিয় কিছু স্টাইল হচ্ছে বেসিক ওয়েস্ট লেন্থ জিপ
ফ্রন্টজ্যাকেট
ক্লাসিক লেন্থ জিপ ।ফ্রন্ট কিংব টু- বাটন , ফোর বাটন জ্যাকেট ,
ভেলেন্ট
লেদার রাইডিং জ্যাকেট, ইলাস্টিকসহ বোম্বার
স্টাইল জ্যাকেট, মোটর বাইক,
মিলিটারী,
এভিয়েটর, রকস্টার, পাস্ক, পুলিশ জ্যাকেট
ইত্যাদি । কিছু লেদার জ্যাকেট
বিমানচালক
এবং মিলিটারীরা ব্যবহার করতো বলে পরর্বতীতে এগুলো বোম্বার জ্যাকেট
নাম
ধারন করেছে । একই ভাবে রাইডিং জ্যাকেট বা মোটর বাইক জ্যাকেট যতটা
না
ফ্যাশন
করার জন্য তার চেয়ে বেশি প্রটেকশনের জন্য । তাই এই ধরনের জ্যাকেটে
সেফটি
ইক্যুইপমেন্ট এবং একটু ভারী ও মোটা লেদার প্রায়ই আরমার সংযুক্ত করা হয় ।
স্লিভে লাইনিংয়ে গলার নেকওয়ামিং
জ্যাকেটের সামনে ও পেছনে এয়ার ভেন্ট থাকে ।
বর্তমান
স্টাইলিশ লেদার জ্যাকেটে বিভিন্ন ভাবে অভিনত্ব আনা হচ্ছে -
কাফে জিপার
ব্যবহার,
জিপড, ভেন্ট, কনট্রাক ওয়েল্টেন্ট পকেট, ওভার আম পানেল , ল্যাডেন স্ট্রাইপ,
পাইপিং
প্যাচওয়াক, এম্বয়ডারি, এপ্লিক, মেটাল , রিভেট , বাকল ইত্যাদি অন্যান্য
জ্যাকেটের
তুলনায় লেদার জ্যাকেটের পরিচর্চার বিষয়টা বেশ আলাদা
রকমের । আপনি
যদি
ঘরে বসে এর পরিচ্ছনতার দিকটা দেখতে চান তা হলে অন্য কিছু জিনিস মাথায়
রাখতে
হবে - হাউজ হোল্ড ক্লিনার দিয়ে জ্যাকেট পরিস্কার করা যাবে না । এমনিতেই
লেদার
জ্যাকেট হাতে পরিস্কার করলে দেখা যাবে কিছুটা রং উঠে আসে এটাই স্বাভাবিক।
সবচেয়ে
ভালো হয়যদি জ্যাকেটে প্যাডেট হাঙ্গার দিয়ে ঝুলিয়ে রাখা হয় । তবে পলিথিন
জাতীয়
কোন কভার ব্যবহার না করা ভালো কারন লেদার মেটারিয়ালদের জন্য
ভেন্টিলেশন
অবশ্যই থাকতে হবে ।
আধুনিক ফ্যাশন পোলার ফ্লিচ জ্যাকেটের
কদর খুবই বেশি । এটা সহজ পরিধেয়। হালকা ওজন , রঙ ও স্টাইল
ভ্যারিয়েশন ধোয়ার উপযোগিতা ইত্যাদি কারনে ফ্যাশনপ্রেমীদের পছন্দের তালিকায় রয়েছে
ফ্লিজ । ম্যানডেন্ট ফাইবারে তৈরি ফ্লিচের মধ্যে দুপাশে ব্রাশ এবং একপাশে
এন্টিপিলিংয়ে দুটি ফ্রেবিক্স বেশি আমাদ্রত। এগুলো মধ্যে রয়েছে ২২০থেকে ৩০০ জিএমএম
হয়। এছাড়াও রয়েছে মাইক্রো
ফ্লিচ । এটা আরো কম ওজনের হয় এবং এতে ১৮০-২২০ জিএমএম বেশি ব্যবহৃত হয় । কখনো এক
পাশে ব্রাশ আবার কখনো দুপাশে ব্রাশ হয়। সাধাণত ছোটেদের জ্যাকেটের তৈরিতে এটা
ব্যবহৃত হয়। আবার অনেক সময় লেদার জ্যাকেটে লাইনিং হিসেবে ব্যবহৃত হয় ।
লাইনিং হিসেবে সিঙ্গেল জার্সি ও টাফেটা
ব্যবহৃত হয় । পোলার ফ্লিচ জ্যাকেটের বড় সুবিধে হচ্ছে কট এন্ড সে করে ডিজাইন
ভ্যারিয়েশনে আনা হয়েছে । তবে একটা বিষয় জেনে রাখা
ভালো ফ্লিচের পশমী চরিত্রের কারনে কোন প্রিন্ট হয় না । কিন্তু ভালোভাবে
এম্বব্রয়ডারি, প্যচওয়াক বাটন ব্যবহার করা হ্য় । বেশির ভাগ ক্ষেত্রে
জিপার ক্লোজার হ্য় না হলেও বাটন ব্যবহার করা হয় বেশির ভাগ ক্ষেত্রে খেয়াল রাখতে
হবে তা যেন ভিজলন জিপার হয় । মেটাল জিপার ব্যবহার
না করাই উত্তম । কটন ফ্লিচ নামে আরেক ধরনের ফ্লিচ রয়েছে । নামে ফ্লিচ হলেও এর আউট
লুক পোলার ফ্লিচ থেকে সম্পুর্ন আলাদা দেখতে অনেকটা
সঙ্গেল জার্সির মতো লাগে । এর সবচেয়ে পজেটিভ দিক হচ্ছে এতে প্রিন্ট করা যায়
অনায়াসে ।
ডাঙ্কি জ্যাকেট মূলত ওয়ার্ক জ্যাকেট
হিসেবে পরিচিত, বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্য সামনে ফাড়া এবং স্বল্পসংখ্যক বোতামমুক্ত
শোল্ডার - ব্লেড ববাবর প্যানেল করে পিভিসি আথবা ঐ ধরনের কাপড় সংযোজন
করা হয়। বড় বড় পকেট থাকে সামনের দুপাশে অনেক সময় ভেতরের দিকে পোচারস পকেট করা
চাহিদা অনুসারে । ডাঙ্কি জ্যাকেট যখন নিতান্তই ওয়ার্ক জ্যাকেট হিসেবে ব্যবহত হয়
তখন কোম্পানী নাম বহন করে এই জ্যাকেটে সাধানত আনলাইন্ড উলেন ফেব্রিক্স দিয়ে দ
তৈরি হয়। আইসেনহাওয়ায় জ্যাকেট বা এক ধরনের মিলিটারি ইউনির্ফম
সংবলিত কোট কলার, সিঙ্গল বক্স প্লিটেড প্যাচ পকেট ও ফ্লাপ এবং কাধে ইপ্যুলেটসহ ৪০
দশকের জ্যাকেটের পরিবর্তীত হয়ে বিভিন্ন পুলিশ এজেন্সিতে এবং বর্তমান ফ্যাশনে
তারুন্যোর ক্রেজ হয়ে দাড়িয়েছে এক নতুন আঙ্গিকে
পরিবর্তন হয়ে এসেছে কলার , পকেট ও ফ্লাপে ইপ্যুলেটের সাইজ ও অবস্থানে স্লিভ ও কাফে
সবচেয়ে চোখে পড়ে যেটা তা হচ্ছে কন্ট্রক্ট্র সুতোয় টপস্টিচ করা ।
ফ্লাইট জ্যাকেট মূলত পাইলটদের জ্যাকেটে
যেহেতু পর্যাপ্ত তাপ সঞ্চারন করাই এ জ্যাকেটের মূল উদ্দেশ্য তাই এর গঠনের রয়েছে ।
রাপ এরাউন্ড হাইকলার , উইন্ড ফ্লাপসহ জিপার ক্লোজার আবৃত
কাফ ও ওয়েস্টবেল্ট কলার লাইনিং হিসেবে
ফারের ব্যবহার হয়। জযাকেটের সামনে কোমর বরাবর দুটো ফ্ল্যাপ পকেট সংযুক্ত
থাকে । নাইলন বা সমগোত্রীয় কাপড় ফ্লাইট
জ্যাকেটের জন্য প্রযোজ্য ।
হারিংটন জ্যাকেট অপেক্ষাকৃত শর্ট
প্যাটানের হালকা ওজনের জ্যাকেট । সুতি পলিয়েস্টার ,
উল এবং সোয়েড ফ্রেবিক্স এ ধরনের জ্যাকেটের জন্য বেশ উপযোগী। এ জ্যাকেটের মূল বৈশিষ্ট
হচ্ছে লাইনিং হিসেবে এতে চেক প্যান্টান ফেব্রিক্স ব্যবহার। এটাই এই জ্যাকেটের
চরিত্রের ধারন করে । লাইফ জ্যাকেট ও বাইকার জ্যাকেটের মতো ফ্যাশনের
চেয়ে প্রয়োজন মেটাতেই বরং এটি তৈরী করা হবে এটা অনেকটা
ফ্লোটেশন ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
পি কোট বা পি জ্যাকেট হচ্ছে আউটার
গামেন্টস , পি - কোটের চারিত্রিক বৈশিষ্ট হচ্ছে প্রসন্ত ল্যাপেল , ডাবল ব্রোস্টেট
ফ্রন্ট। ভার্টক্যাল অথবা স্লেস পকেট থাকে । ব্রিটেনে একে
রিকার জ্যাকেট এবং বেলজিয়ামে পাইলট জ্যাকেট বলা হয়। Add as favourites (66) | Quote this article on your site | Views: 376
Write Comment
|
||||||
| < Prev | Next > |
|---|





