|
আমিন খান
ঈসান আওয়ান্তি আট বছর বয়সের একটি ছেলে। যার পছন্দ
ছবি আকাঁ,মাছ ধরা, কুকুর নিয়ে খেলা করা আর ঘুড়ি ওড়ানো। বালক সুলভ দুষ্টিমির
ব্যাপারগুলো রাত মধ্যে প্রবল। আর তাই স্কুলের টিচার থেকে শুরু করে বাবা মা সবাই কাছেই সে দুষ্ট ছেলে হিসেবে পরিচিত।
বড়দের সাথে তার কিছুতেই বনে না ।স্কুলের বাধা ধারা নিয়ম তার ভালো লাগে না ।
পড়াশুনা ,হোমওর্য়াক , নম্বর বা পরিচ্ছন্নতা কিছুতেই সে ভালো করতে পারে না ।
ছোট এই ছেলের মনের অবস্থা তার বাবা মা বুঝতে পারে না । তারা
ঈশানের দুষ্টমিতে অতিষ্ট হয়ে তাকে বোডিং স্কুলে গিয়েও ঈশান খাপ খাওয়াতে পারে না ।
বরং বাবা মা ফ্যামিলির কাছ থেকে আলাদা হয়ে সে আরো আত্মকেন্দ্রিক ও
মনমরা হয়ে যায়। কিন্তু সময় এক রকম যায় না । একদিন স্কুলে এক আর্ট টিচার আসেন আর
তারপর থেকেই ঈশানের জীবনের আস্তে আস্তে পরিবন আসে । নতুন টিচার রাম আমিন খান খুবই
মজার মানুষ । স্কুলের চিরাচরিত নিয়মের বাইরে রাম বাচ্চাদের শেখায় কীভাবে
আনন্দের সঙ্গে সব কাজ করা যায় । সে বাচ্চাদের চিন্তা করতে শেখায় স্বপ্ন দেখতে
শেখায় কী ভাবে আনন্দের সঙ্গে সব কাজ করা যায়। সে বচ্চাদের চিন্তা করতে শেখায় কীভাবে
আনন্দ স্বপ্ন দেখতে শেখায়, আশ্চার্যজনক বাচ্চারা তার প্রতি আকৃষ্ট হয়। কিন্তু
ঈশান থাকে ব্যতিক্রম। তখন রামের চোখে পড়ে ঈশানের ওপর এবং সে দেখে যে বাচ্চাটা সব
সময় মন মরা হয়ে থাকে । তখন সে এর কারন খুজে বের করে এবং তার শিশুসুলভ মনটাকে বুঝতে
চেষ্টা করে। ঈশানের প্রতি যত্ন নিয়ে সে তাকে খোলস থেকে বের করে আনে । তার প্রতিভা
বিকাশের কারনে সে আর্ট কম্পিটিশনে প্রথম হয় এবং বাবা -মার কাছে প্রিয় হয়ে ওঠে।
এভাবেই তারে জমিন পর এর কাহিনীর আবর্তিত হয়। আমির খান প্রযোজিত, পরিচালিত ও
অভিনীত এ ছবিতে মানবিক মূল্যবোধ নিখুতভাবে ফুটে ঊঠেছে। কানিনীর বস্তুনিষ্ঠা ও
নির্মানের মুন্সিয়ান ছবিটি নিয়ে সর্বত্র ব্যাপক আলোচনা হচ্ছে। কেউ কেউ
বলেছেন, আমিন খান বেছে বেছে ছবি করেন বছরে একটি দুটি । তার উদ্দেশ্য পুরস্কার
পাওয়া।
আমিন বিদ্বেষীদের নেভেটিভ মনোভাব কিন্তু তার পক্ষেই যায়। কারন পরিনত বয়সে ভালো
ছবিই তো সকলের করা উচিত তারে জামিন পর নিয়ে বিশ্বব্যাপী আলোচনা হবার সম্ববনা আছে।
Add as favourites (48) | Quote this article on your site | Views: 258
|