| Advertise Modules |
|
|
|
প্লাটফর্মের বেঞ্চিতে আহত অবাক দৃষ্টি নিয়ে একা বসে আছে মেয়েটি
বাইরে ঝুম বৃষ্টি। হাতে রাখা সেলফোনটা বেজে ওঠে হঠাৎ। একটা মেঘস্বর ভেসে একটু
বাইরে আসবে? খুব সুন্দর বৃষ্টি হচ্ছে। মুহুর্তে মেয়েটার মুখ ঝলমল করে ওঠে। বাইরে
এসে ছেলেটার ঠিক পাশায় দাড়ায়সে। হুইসেল বাজিয়ে ততক্ষনে প্লাটফর্মে ছেড়ে গেছে ।
মেয়েটার প্রশ্ন গেলে না?
আমি যেখানে যেতে চাই, ট্রেনটা সেখানে যাচ্ছে না ।
স্বগতোক্তির মতো বলে ছেলেটা। গ্রামীনফোনের নতুন বিজ্ঞাপন কাছে
থাকুন এর মুল গল্পটা সুবোধ ঘোসের জতুগঘ মতো অনেকটা একরকম। এখানেই আবেগটাই
মুখ্য। আমাদের এখানকার বিজ্ঞাপনগুলোর প্রধান সম্পদ এই আবেগ বা বাঙ্গালি ইনোশন।
পুরোপুরী দেশীয় সেন্টমেন্ট আর দেশীয় মডেল আককের বিজ্ঞাপনের মূল সুর । এক একটা জিঙ্গেল আর গ্লামারাস মডেলদের দিয়ে
বিজ্ঞাপন তৈরীটা ট্রেন্ড হয়ে গিয়েছিল। এখানকার এই পরিবর্তনটা এসেছে হঠাৎ। বিশেষ
করে মোবাইল ফোন কোম্পানীগুলোর বিজ্ঞাপনের মাধ্যমেই এই পরিবর্তন চলে আসে।
মায়ের জন্য ফোন নিয়ে যাওয়ার বেলার ছেলের যে আবেগ কিংবা বাবাকে ৩০ না হলে ৩২ তারিখে
চলে আসার জন্য সেই ইমোশনটা সত্যিই অসাধারন । একটা ফোন একটা অসধারন। একটা ফোন একটা
দিনবদলে গল্প এই ভাবনাটাতেও আবেগ ফুটিয়ে তোলা এমনভাবে যে বিজ্ঞাপনগুলোর
মুহুর্তেই সবার খুব প্রি হয়ে উঠলো। এখনকার বিজ্ঞাপনগুলোর মডেলদের চেয়ে গল্পটাই
প্রধান। তাই বাংলালিংকের ২৬ মার্চের বিজ্ঞাপনে সত্যিকারের এক ভাই হারানো বোনের
কান্ন দেখে সবাই কান্না থামানো মুশকিল হয়ে পড়ে। কিংবা ২১ শে ফেব্রুয়ারী বিজ্ঞাপনে
দেখা যায় ভাষা নিয়ে কাজ করছেন এমন কবি সাহিত্যকদের মুখ। তারাই মডেল।
এখন ইমোশন আর গল্প প্রধান বিজ্ঞাপনগুলোর শুরুটা মোস্তফা সরয়ার
ফারুকী এবং অমিতাভ রেজার হাত ধরে। মোবাইল ফোনের প্রায় প্রতিটি বিজ্ঞাপনেই পরিবর্তনটা সুস্পষ্ট। জিঙ্গেলটা এখন
বিজ্ঞাপনগুলোর একান্ত অনুসঙ্গ হিসেবে কাজ করে। আগে যেমনটা ছিল যে কোনো বিজ্ঞাপনেই
জিঙ্গেল থাকতো নাচানাচির জন্য। এখনো অবশ্যই বাংলালিংক এর নাচানাচির বিষয়টি আছে ।
একটু ব্যরিক্রম করার জন্য হয়ত এই নাচানাচি। প্রথম বিজ্ঞাপনটা সবার ভালো
লাগলেও পরের দুটির দুটি বিজ্ঞাপন অতোটা ভালো হয়নি। তার কারন হয়তো নাচ না জানা
মডেলদের দিয়ে জোর করে নাচানোর চেষ্ঠা করা। অন্যদিকে সিটিসেলের এখনকার
বিজ্ঞাপনগুলো অনেকটা হাস্যনির্ভর। যে গুলো দশকরা ভালোই পছন্দ করেছেন।
যদিও পালাবে কোথায় বাংলা ফিল্মি স্টাইলে নাচানাচি করিনি। আর একটেল ইজিলোডের বোকা
ইউনুস কিংবা ফ্রি না লইয়া যাইবেন কই? কিংবা গ্রামীনের মেয়াদহীন সিম বিজ্ঞাপনগুলোর
সাধারন দশকের মধ্যে গ্রহনযোগ্যতা দারুন।
টিভি মডেলিং্যে এখন নতুন মুখ দেখা যায় আহরহ। এটা পরিবর্তনের
আরেকটা দিক। আগে বেশির ভাগ বিজ্ঞাপনেই দেখা যেত পরিচিতি মডেল টিভি বা সিনেমার
পরিচিতি মুখ । এখনো সেই মুখগুলো দেখা যায় তবে খুবই কম। তারচেয়ে নির্মাতার নতুন মুখ
নিয়ে বেশি কাজ ।
মেয়েদের মধ্যে তিন্নি আর প্রভা প্রথম তিব্বতের বিজ্ঞাপনটা
সুন্দরীতমা হিসেবে পরিচিতি লাভ করে তোলে। আজকের বিজ্ঞাপনে যে
পরিবর্তন সেটা শুধুই ফিল্মমেকার নন, যাদের জন্য বিজ্ঞাপন সেইসব কোম্পানির
Add as favourites (58) | Quote this article on your site | Views: 239
Write Comment
|
||||||
| < Prev | Next > |
|---|





