| ¦Â° Á¬¨Ç |
|
|
|
দূর ভুবনে
নিউইওর্কে ব্রডইয়ে থিয়েটারে যে নাটকটি দেখার সুযোগ ঘটলো তার নাম
সায়গন । ট্রিট করলেন রিপা আহমেদ । নিউইওর্কে ব্রিটিশ এয়ারওজের পদস্থ চাকুরে । উইক
নাম ড্রামা সার্কেল । প্রযোজনা সম্পকে আমার উচ্চ ধারনা ছিলো । এইসব ব্যয়বহুল প্রযোজনার
জাকজমক , পেশাদারিত্ব আর উপস্থাপনা প্রশ্নাতীতভাবে অনন্যসাধারন । তিন ঘন্টা নাটকটি
দেখতে দেখতে বুঝলাম আমার সেই ধারনাতেই দারিদ্র্য ছিলো । যা ভেবেছিলাম তার চেয়ে ১০
গুন বেশি এর ব্যাপকতা । ব্যডওয়ে,অফ ব্যডওয়ে, অফ অফ ব্যডওয়ে থিয়েটার যাদের
দেখা হয়েছে শুধুমাত্র তারা আমার উচ্ছ্বাস্টুকু অনুভব করতে পারবেন । একটা
আস্তো হেলিকাপ্টার যখন ছাদে ভাগ করে আকাশ থেকে মঞ্চে নেমে আসে তখন বুক হিম হয়ে আসে
। ভাগ্য ভালো নিউইয়কে মশা মাছির উৎপাত নেই । তা না হলে প্রতিটি শোতে হা
হয়ে যাওতে দর্শকের শত শত মশা মাছি ঢুকে পড়তো। কি অভিনয়ে , কি আয়োজনে,কি
উপস্থাপ্নায় ব্রডওয়ে থিয়েটারে শোগুলোতে যে ভাবে হয় শুধু মাত্র সেইসব নাটক দেখার
জন্য বহু পর্যটক ইউরোপ থেকে সারা বছর ছুটে ছুটে আসেন । কাটায় কাটায় তিন ঘন্টায়
নাটকটি দেখে বেরিয়ে এলাম । রাত হয়েছে তখন অনেক । কিন্তু সেই রাত ঘড়ির কাটাতেই ।
চারপাশে তার লক্ষন নেই বিন্দুমাত্র , প্রচুর ঝলমলে আলো। প্রচুর মানুষ। ম্যানহাটানের
রাস্তা যতো রাত হয় ততোই জেগে ওঠে । জহির বললো দ্য সিটি নেভার স্লিপস । প্রতিটি
আকাশ -ছোয়া দালানের দেয়ালে আলো ঝলমলে
বিজ্ঞাপন চোখ ধাধার চুম্বুকের মতো আর্কষন করে। কোনো কোনো দোকানের ঝুলন্ত সাইনবোড হেলপ নিড
মানেটা কি? প্রশ্নবোধক চোখে তাকাতে ব্যাপারটা ধরতে পারলেন
আনোয়ার সাহাদাত । উত্তর দিলেন নিজে থেকেই এটা হচ্ছে হায়ার অ্যান্ড ফায়ার সংস্কৃতির
দেশ । চাকরিতে যখন ইচ্ছা তখন হায়ার করা হয় । আবার যে কোন মুহুর্তে ফায়ার করা হয় ।
চাকরি পাওয়া , চ্যাকবিচুতি এক নিয়মিত ঘটনা । তাতে সব সময়
দোকানগুলুতে অড জবের অফার লেগেই থাকে । কিন্তু লক্ষনীয় বিষয় সেখানে লেখা হচ্ছে
হেলপ । লেখা হয়নি , চাকরি বা সাভিস । এ দেশের নাগরিক অধিকারের আনুষ্ঠানিকভাবে অনেক
উচ্চতায় রাখা হয় । তাই কাজ করাটাই চাকর পর্যায় দেখার সুযোগ নেই । আনোয়ার বরাবর
আমেরিকা প্রিয় মানুষ । তাই ব্যাখ্যাটা পাওয়া গেলো তার কাছে । ভালো
লাগলো শুনে । লস অ্যানজেল এ থাকা আরেক মেধাবী বাঙ্গালী মশহুরুল হুদা । মুকাভিনয় আর
মনের ব্যায়াম নিয়ে তার কারবার । হুদা বলেন অ্যামেরিকা হচ্ছে দিল্লির লাড্ডু। খেলেও
পস্তাতে হয় না খেলেও । বন্ধু হুদা তার গাড়ি ড্রাইভ করে আমাকে
ইউনিভাসেল স্টুডিও আর হলিউড তারকাদের শুটিং দেখালেন একদিন। ( চলবে) Add as favourites (28) | Quote this article on your site | Views: 170
Write Comment
|
||||||
| < Prev | Next > |
|---|





