| ¦Â° Á¬¨Ç 02 |
|
|
|
দূর ভুবনে
ইউনির্ভাসেল স্টুডিও ঘুরে দেখা । সে
অসাধারন এক অভিজ্ঞতা । সেটা দেখার ব্যবস্থা পাকা করেছিল পিয়াল । মুনাওয়েল হুসাইন পিয়াল
আনন্দ বিচিত্রার জুনিয়র রিপোর্টার হিসেবে ওর কার কেরিয়ার শুরু । এখন লসআনজেলেসে
ফরেইন জার্নালিস্ট আসোসিয়েশনের সেক্রেটারি
জেনারেল সে ।ওদের সংগঠনের সদস্যদের ভোটেই গ্লোব আওয়ার্ড পান
হলিউড সেলিব্রেটিরা । এ আওয়ার্ড আলোচনার দিক
থেকে অঙ্কারের পরের অবস্থান। তাই এ প্রভাবশালীর তরুনের এক টেলিফোনেই ভিপিয়াইপি
টিকিটের ব্যবস্থা হবে এটাই স্বাভাবিক । এমনিতে প্রবেশ মূল্য চড়া । সেটা যদি পাওয়া
যায় মাগনা তার অপর যদি হয় ভিআইপি , তাতেই আনন্দে আটখানা না হয়ে
উপায় কি ।স্টুডিও গেটে নামিয়ে দিয়ে গেলেন মূকাভিনেতা মশুরুল
হুদা পিয়াল আগেই সর্তক করেছিল যুতমত ঘুরে হলে সকাল - সকাল পোঁছাতে হবে । ১১টার
মধ্যেই পৌছেগেলাম । গেটে দশকের লম্বা কিউ । আমেরিকান , ইউরিপিয়ান ,
এশিয়ান। নানা কিসিমের পর্যটক । যাদুকরের তেলেসমিতির মতো সে কিউ ধরতে হলোনা ।
স্পেশাল গেইট । গেইটের গোড়ায় পাথরের ভাস্কর্যে - শুটিং চলছে । অনেকগুলো পাহাড় নিয়ে
হলিউড একশ বছর আগে পাঁচ বছর আগে এই পাহাড় গুলো কেনেন হারভি
উইকেক্স নামের এক বড়লোক । তার বউ তখন জায়গাটার নাম রাখেন
হলিউড । তখনো কেউ কল্পনা করেনি এখানেই পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ফিল্ম সিটি হবে । জমির
মালিকের স্বপ্ন ছিল বড়লোকদের জন্য খাবার হাউস বানানোর । হয়ে গেল হলিউড । সুবিস্তৃন
পাহাড় কেটে বানানো ইউনির্ভাসেল স্টুডিওতে শুটিং কি ভাবে হয় স্টুডিওগলো কেমন কেমন
কি কি ঘটনা ঘটে তা শো -এর মাধ্যমে টানা দেখানো হচ্ছে ফাঁকে ফাঁকে জাদুঘর রেস্তরা শপিং হাউস ইউনিট
অফিস । এক কথায় পর্যটকদের হলি উৎসব। স্টুডিও ট্যুরের কার চড়লেই কেল্লফতে । কখনো
ট্রেন অন্ধকার গুহায় ঢুকছে কখনো জল রাশিতে ঢুকছে কখনো আগুনে - বৃষ্টিতে ভিজে টুকরো
হয়ে রেলস্টেশনে । ভয়ংকর সুন্দর সে অভিজ্ঞতা । শোগুলোর
মধ্যে সবছে আকর্ষক
ওয়াটার ওয়াল্ড শো । ১৯৯৫ সালে কেভিন কস্টনার -এর ওয়াটার ওয়ার্ল্ড ছবির জন্য এ
সেটটি বানানো হয় । এখন এই সেটে
স্টান্টম্যানদের দিয়ে জীবন্ত্ অভিনয় করানো হয় প্রতিদিন ।
কুড়ি মিনিটে শো। চমকে চমকে বুক কাঁপে ।
কখনো গলা শুকায় । কখনো বোবা মেরে হাত পা ঠান্ডা হয় । চোখের সামনে নকল বারুদ । নকল
আগুন । আসল পানি ফুড়ে গোলার শব্দ । নকল আগুনে পুড়ে পুড়ে স্টান্টরা অভিনয় করে। ওয়াটার
ওয়ার্ড শো শেষ হতে দেখি বিকেল ৬টা সন্ধ্যা হতে আরো এক ঘন্টা বাকি। সেদিন ছিল
প্রচন্ড গরমের একটা দিন । ঝাঁ ঝাঁ রোদে পুড়ে যাচ্ছিল চারপাশ
। এমন ভয়ংকর আবহাওয়ার সারাটা দিন কাটিয়ে পুত্র -কন্যা -স্ত্রীকে নিয়ে যখন
স্টুডিওতে থেকে বেরিয়ে এলাম দেখি বন্ধু হুদা গাড়িনিয়ে স্ট্যান্ডবাই । হুদা অবাক
হয়ে বললেন , আশ্চার্য রোদে পুড়ে গায়ের রং ছাই । অথচ আপনাদের কাউকে ক্লান্ত
লাগছে না ঘটনাটা কি?
প্রশ্নের উত্তর দিল আমার পুত্র শুনুন
আংকেল অবাক সব কিছু দেখতে দেখতে পুরোদিনটা কখন পার হলো সেটাইতো টের পেলাম না ।
টায়ার্ড হবো কি করে? Add as favourites (42) | Quote this article on your site | Views: 201
Write Comment
|
||||||
| < Prev | Next > |
|---|





